প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ রাখছে যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ। ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে এ বৃত্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের ১৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে এক বছরের মাস্টার্সে পড়ার পথ খুলছে।
পূর্ণ অর্থায়নে পড়াশোনা

চিভনিং হলো সম্পূর্ণ অর্থায়নভিত্তিক বৃত্তি। নির্বাচিতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি, বিমানভাড়া, মাসিক জীবনযাপন ভাতা, আবাসন এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা পান। ফলে পড়ার খরচের চাপ অনেকটাই কমে যায়—প্রবাসী পরিবারের জন্যও এটি বড় স্বস্তি।
আবেদন চলছে, শেষ দিন ৬ অক্টোবর ২০২৬
২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষের জন্য চিভনিং স্কলারশিপে আবেদন চলছে। বৃত্তির আবেদনের শেষ দিন নির্ধারিত হয়েছে ৬ অক্টোবর ২০২৬। আগ্রহী প্রার্থীদের অবশ্যই chevening.org ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত দেখে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
কারা আবেদন করতে পারেন
চিভনিং মূলত কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের জন্য। বৃত্তির জন্য সাধারণভাবে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। তবে ছাত্রজীবনে করা ইন্টার্নশিপ বা পার্টটাইম কাজের অভিজ্ঞতাও গণনায় আনার সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষিত ও সুযোগ
বাংলাদেশ থেকেও চিভনিং বৃত্তি পেয়ে বহু শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয়েছেন ২২ জন। অর্থাৎ, যোগ্য আবেদনকারীদের জন্য বাস্তব সম্ভাবনা আছে—শুধু পরিকল্পনা করে প্রস্তুতি নিলেই সুযোগ কাজে লাগানো যায়।
কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন
চিভনিং বাছাইয়ে কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, তা বৃত্তির ওয়েবসাইটে স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। সেগুলো দেখে আবেদনপত্র, নিজের অভিজ্ঞতা এবং লক্ষ্য—সবকিছু সাজিয়ে নিলে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা সহজ হয়।
প্রশ্ন-উত্তর
চিভনিং স্কলারশিপে কোথায় পড়ার সুযোগ?
যুক্তরাজ্যের ১৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে এক বছরের মাস্টার্স।
শেষ আবেদন কবে?
৬ অক্টোবর ২০২৬।
এ বৃত্তি কি পুরো খরচ বহন করে?
হ্যাঁ, টিউশন ফি, বিমানভাড়া, মাসিক জীবনযাপন ভাতা, আবাসনসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









