ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসংলগ্ন চত্বরে ভাঙচুর হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য পরিদর্শন করেছে ঢাকার একটি নাগরিক প্রতিনিধিদল। পরিদর্শন শেষে তারা ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
ভাঙচুরের পর চত্বরে শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাঙচুর হওয়া ভাস্কর্যের পাশে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর চত্বরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
পুনর্নির্মাণ ও জবাবদিহির দাবি
প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের জোর দাবি তোলা হয়। তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও দেশের অস্তিত্বকে ঘিরে থাকা ভাস্কর্যকে এভাবে ভাঙার ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। পাশাপাশি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন সদস্যরা।
প্রশাসনের সঙ্গে দেখা
ভাস্কর্য পরিদর্শনের পর প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
ঝিনাইদহের এই ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও স্মৃতি ও মর্যাদার প্রশ্ন। ভাঙচুরের বদলে পুনর্নির্মাণ নিশ্চিত হলে মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি যেমন থাকে, তেমনি দেশের ইতিহাস-চেতনার প্রতি সম্মানও টিকে থাকে।
যারা উপস্থিত ছিলেন
প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ফারহা তানজীম তিতিল এবং বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের নেতা দীপায়ন খীসা।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
ভাস্কর্যটি কোথায় ভাঙচুর হয়েছে?
ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসংলগ্ন চত্বরে।
প্রতিনিধিদল কী দাবি করেছে?
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের দাবি এবং ভাঙচুরের দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে তারা।
প্রতিনিধিদল কি প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করেছে?
হ্যাঁ, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করেছে তারা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









