GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / রাজনীতি / শিক্ষকদের খোঁজে বেরোবিতে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি

শিক্ষকদের খোঁজে বেরোবিতে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটির প্রতীকী ছবি

শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন—এমন অভিযোগ যাচাই করতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে। অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের শিক্ষক পর্যন্ত স্পর্শ করেছে বলেই বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় এসেছে।

বেরোবিতে তথ্য অনুসন্ধান কমিটি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটির প্রতীকী ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে—২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং বেরোবির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না—তা দেখতে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

কাকে দিয়ে কমিটি করা হয়েছে

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. তানজিউল ইসলাম কমিটির আহ্বায়ক। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন-আল-রশীদ এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান। আর সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার (লিগ্যাল) মোছা. রেহেনা আকতার।

কারও নাম উঠে আসার পর পদক্ষেপ

অভিযোগে জড়িত থাকার বিষয়ে সাতজন শিক্ষকের নাম উঠে এসেছে—এমন কথাও বলা হয়। এর মধ্যে আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বাকিদের বিষয়ে যাচাই এগোবে কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে।

প্রতিবেদন পেলেই পরবর্তী তদন্ত

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এরপর তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। উপাচার্য যে তথ্যের কথা বলেছেন, তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষককে ঘিরেই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিংয়ের কাজ এগোবে।

প্রবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-রাজনীতির প্রভাব, শৃঙ্খলা এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাবোধ—সবকিছুরই বাস্তব প্রভাব পড়ে শিক্ষার পরিবেশে। কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই বোঝা যাবে অভিযোগ কতটা সত্য, আর কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

প্রশ্ন-উত্তর

এ কমিটি কেন গঠন করা হলো?
গণমাধ্যমে আসা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক সংশ্লিষ্ট কি না—তা জানতে।

প্রতিবেদন পাওয়ার পর কী হবে?
প্রতিবেদন ভিত্তি করে তদন্ত কমিটি গঠন, এরপর শৃঙ্খলা কমিটির পর্যালোচনা ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে ব্যবস্থা।

কাদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে?
আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons