সকালেই সন্তান জন্ম, দুপুরেই পরীক্ষার হলে বসা—নীলফামারীর সৈয়দপুরে এমন দৃশ্যই মিলেছে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে। সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় তিনি উপস্থিত হয়েছেন নির্ধারিত কেন্দ্রেই, প্রসবের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান রেখে।
হাসপাতালে জন্ম, কয়েক ঘণ্ট পর পরীক্ষায় ফেরা

প্রসবব্যথা শুরু হলে দ্রুত ওই পরীক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক সেবা নেওয়ার পর তিনি একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। এরপরই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান।
কেন্দ্রকে জানিয়ে অনুমতি, তারপর হলে উপস্থিতি
পরিস্থিতি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলেই দুপুরে তিনি পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেন। এভাবে এক বছরের পরিশ্রম যেন নষ্ট না হয়—এই ভাবনাই কাজ করেছে বলে জানা গেছে।
পরীক্ষা শেষে নবজাতকের জন্য শুভেচ্ছা
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নবজাতক শিশুর জন্য শুভেচ্ছাস্বরূপ উপহার দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরাও পরীক্ষার্থীকে নিয়ে স্বস্তির কথাই বলছেন।
কেন এটি প্রবাসী শিক্ষার্থীদের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ
প্রবাসে থাকা অনেক পরিবারের কাছেই পড়াশোনা শুধু ডিগ্রি নয়, সন্তানের ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। এমন সাহসী উদ্যোগ মনে করিয়ে দেয়—প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি লক্ষ্য ধরে রাখার গুরুত্ব কতটা।
প্রশ্ন–উত্তর
- ঘটনাটি কোথায়? নীলফামারীর সৈয়দপুরের একটি মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রের পরীক্ষায়।
- কোন পরীক্ষায় তিনি অংশ নেন? সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের এইচএসসি পরীক্ষায়।
- কবে তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রে যান? সন্তান জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুপুরে কেন্দ্রে গিয়ে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









