রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যার ঘটনায় সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর খাজা হাবিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ফলে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন গতি এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খাজা হাবিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, খাজা হাবিবুল্লাহকে বৃহস্পতিবার রাতে লালবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে রমনা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এজাহারভুক্ত না হলেও তদন্তে নাম
ডিএমপি জানায়, খাজা হাবিবুল্লাহ এজাহারভুক্ত আসামি নন। তবে তদন্তের ধারায় তাঁর নাম উঠে আসায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের পরিধি আরও পরিষ্কার হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
এর আগে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়
এর আগে একই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রমনা মডেল থানা যুবদলের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ছাত্রদলের একাধিক নেতাসহ মোট বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব গ্রেপ্তারের মধ্যেই তদন্তের মূল অংশ এগিয়েছে বলে পুলিশের ভাষ্য।
ঘটনার রাতে কী হয়েছিল
গত ৮ জুন রাতের দিকে সালিসের কথা বলে মৌচাকের আনারকলি মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় বিল্লাল হোসেনকে ডেকে নিয়ে ছুরি আঘাত করা হয়। পরে তিনি হাসপাতালে মারা যান। নিহত বিল্লাল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন।
ঘটনার পর তাঁর স্ত্রী থানায় মামলা করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিল্লাল খাবার হোটেলের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আনারকলি মার্কেটে তাঁর ভাগনের ব্যবসা ছিল। এ নিয়েই কয়েকজনের মধ্যে বিরোধ এবং ঘটনার রাতে হামলার অভিযোগ উঠে আসে।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
এ ধরনের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তদন্ত অগ্রগতি দেশজুড়ে নিরাপত্তাবোধ বাড়ায়। বাংলাদেশে পরিবার-পরিজন যাদের আছে, তাদের জন্যও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিষ্কার চিত্র জরুরি।
প্রশ্নোত্তর
খাজা হাবিবুল্লাহকে কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়?
লালবাগ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপি কেন গ্রেপ্তার দেখিয়েছে?
এজাহারভুক্ত না হলেও তদন্তে নাম আসায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিল্লাল হোসেনের পরিচয় কী ছিল?
তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









