কক্সবাজারকে ঘিরে উচ্চশিক্ষা ও সামুদ্রিক গবেষণার সুযোগ বাড়াতে সরকার একটি নতুন পরিকল্পনায় এগোচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, কক্সবাজারে মেরিন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার দুপুরে ৫০০ শয্যার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। সমুদ্রসম্পদ ও সমুদ্রবন্দরকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে দেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয়ের সক্ষমতা তৈরি করতে পারে—বলেও জোর দেন তিনি।
নীল অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজারের অপরিসীম পর্যটন সম্ভাবনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখার কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে।
সামুদ্রিক শিক্ষা ও গবেষণার প্রসার
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হিসেবে তিনি বলেন, কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে সমুদ্র শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা হবে। কক্সবাজারে মেরিন ইউনিভার্সিটি হলে সামুদ্রিক বিষয়ক উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতায় গতি আসবে—এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
পর্যটনে শুধু অবকাঠামো নয়
ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে পর্যটন উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুধু উঁচু ইমারত নির্মাণই পর্যটন নয়। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সব এলাকাজুড়েই পর্যটনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
প্রকৃতি সংরক্ষণ নিশ্চিত করে পর্যটন সম্প্রসারণের চেষ্টা করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন এলাকাকে ইসিএ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছিল; জরিপকার্য পরিচালনার মাধ্যমে পর্যটনের বিকাশের জন্য এসব এলাকা পুনর্বিবেচনার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসী পাঠকের জন্য অর্থ কী
কক্সবাজারে মেরিন ইউনিভার্সিটি হলে সামনে থেকে দক্ষতার নতুন পথ তৈরি হবে—যেখানে কর্মসংস্থান ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ারের সুযোগ বাড়তে পারে। সমুদ্রভিত্তিক সেবা, গবেষণা এবং সংশ্লিষ্ট খাতে দক্ষ জনবল গড়ে উঠলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও দেশে বিনিয়োগ ও কাজের ক্ষেত্র আরও স্পষ্ট হবে।
সব মিলিয়ে কক্সবাজারের উচ্চশিক্ষা ও নীল অর্থনীতি—দুই দিকেই পরিকল্পনার বার্তা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রশ্নোত্তর
কক্সবাজারে মেরিন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা কে বলেছেন?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অনুষ্ঠানে এ পরিকল্পনার কথা বলেছেন।
এ উদ্যোগের লক্ষ্য কী?
সামুদ্রিক শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ বাড়ানো।
পর্যটন বিষয়ে তিনি আর কী বলছেন?
পর্যটনে শুধু অবকাঠামো নয়, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সমুদ্র সৈকতের সার্বিক উন্নয়নের কথাও এসেছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









