এফবিসিসিআই নির্বাচন নিয়ে এখন মূল প্রশ্নটা সময় আর গ্রহণযোগ্যতা। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসক মো. ফজলুল হক জানালেন, ১২০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য এফবিসিসিআই নির্বাচন আয়োজনই হবে তার প্রথম অগ্রাধিকার।
প্রথম অগ্রাধিকার একটাই: সময়ের মধ্যেই নির্বাচন

প্রশাসক হিসেবে তার অ্যাপয়েন্টমেন্টের ভেতরেও কাজের লক্ষ্যটা স্পষ্ট—নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন। তিনি বলেন, নির্বাচন এগোতে হলে আগে যে কাঠামো দরকার, সেটি শেষ করতে হবে।
বড় বাধা বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়া
ফজলুল হক জানান, সরকার বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধনের কাজ করছে। বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন দেওয়া যাবে না। কারণ বিধিমালায় নির্ধারণ হবে—কে ভোটার হবেন, কে প্রার্থী হতে পারবেন, পরিচালক সংখ্যা কত হবে। এগুলো স্থির না থাকলে নির্বাচনের প্রক্রিয়া ঝুঁকির মুখে পড়ে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হাতে শেষ সিদ্ধান্ত
এফবিসিসিআই প্রশাসক হিসেবে তিনি নিজেকে নিরপেক্ষ অবস্থানে রাখার কথাও বলেন। খসড়া বিধিমালার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত নেওয়া হয়েছে, এখন সেটি চূড়ান্ত করার এখতিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। প্রশাসক হিসেবে তিনি আপত্তি বা পরিবর্তনের বিষয়ে সরাসরি ভূমিকা রাখতে চান না—মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত দেখাই এখন মূল কাজ।
রিট নিষ্পত্তিতেও বিধিমালা ভূমিকা রাখতে পারে
তিনি বলেন, রিটের বিষয়টিও বিধিমালা সংশোধনের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিধিমালা সংশোধনের মধ্য দিয়ে যদি ওই রিটের বিষয়টি ফয়সালা হয়ে যায়, তাহলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অকার্যকর হতে পারে। তাই আপাতত বিধিমালাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন।
আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হলে সময় বাঁচবে
সময় বেঁধে দেওয়ার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন তিনি। ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিতে হলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিধিমালা চূড়ান্ত করার প্রত্যাশার কথা বলেন প্রশাসক। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা সহজ হবে।
প্রবাসী ব্যবসায়ী-সংক্রান্ত প্রভাব: এফবিসিসিআই নির্বাচন যত দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে, তত দ্রুত ব্যবসায়ীদের নীতিগত দাবি ও সংগঠনের সমন্বয় আরও কার্যকরভাবে সামনে আসবে। প্রবাসে থাকা উদ্যোক্তা, ব্যবসা-সংশ্লিষ্ট পরিবার ও রপ্তানি খাতের সঙ্গে যুক্তরা—সবাইই স্থিতিশীল বাণিজ্য নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা দেখতে চান।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন বলতে তিনি কী বোঝাচ্ছেন?
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য এফবিসিসিআই নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যই তার প্রথম অগ্রাধিকার।
নির্বাচন আটকে যাচ্ছে কেন?
বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায়—ভোটার-প্রার্থী-পরিচালকসংখ্যা ইত্যাদি নির্ধারিত হচ্ছে না।
রিটের বিষয়টি কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে?
বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে ওই রিটের বিষয়টি ফয়সালা হলে সেটি অকার্যকর হতে পারে—এমন সম্পর্কের কথাই তিনি বলেছেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









