মিরপুরে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয়ে সিরিজের শুরুটা জমিয়ে দিল বাংলাদেশ এইচপি। ৮৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে তারা এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।
১৫৮ রানে থামল বাংলাদেশ

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ এইচপি নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রান তুলেছে। শুরুটা ভালোই ছিল। ওপেনিংয়ে জাওয়াদ আবরার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেন। অপরপ্রান্তে জিসান আলম ততটা সুবিধা করতে পারেননি—৭ বলেও রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন।
১৮ বলে ২৮ রান করে জাওয়াদ আউট হলে জুটি গড়তে যান আরিফুল ইসলাম ও প্রীতম কুমার। তবে আরিফুল ১২ বলে ১৫ রান করে ফিরলেও প্রীতমের ইনিংস থামে মাত্র ৪ রানে—৭ বলে। এরপর সাব্বির রহমানও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি; ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন। ফলে মাঝের ওভারে কিছুটা চাপ তৈরি হয়।
গাফফার- মেহেরবের ব্যাটে গতি
চাপ সামলাতে দায়িত্ব নেন আবদুল গাফফার সাকলাইন ও এস এম মেহেরব হোসেন। তাদের ব্যাটেই আবার রানের গতি বাড়ে। সাকলাইন ২৬ বলে ৩২ রান করে বিদায় নেন। দ্রুত ফিরে যান আবু হায়দার রনিও—তার ব্যাট থেকে আসে ৩ বলে মাত্র ১ রান।
শেষদিকে মেহেরবের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ দেড়শ ছাড়ায়। ২২ বলে ৪০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে তিনি শেষের আগের ওভারে আউট হন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে বাংলাদেশ দাঁড়ায় ১৫৮ রানে।
লক্ষ্য তাড়া করতে পারেনি মালয়েশিয়া
১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মালয়েশিয়াকে প্রথম বলেই বড় ধাক্কা দেন আবু হায়দার রনি। এরপর গোল্ডেন ডাক মেরে নাজমুস সাকিবকে সাজঘরে ফেরান। আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি—পরের উইকেটগুলোও পড়তে থাকে নিয়মিত ব্যবধানে।
পাওয়ারপ্লে থেকেই চাপের মুখে পড়ে যায় সফরকারীরা। তিন নম্বরে নামা আহমেদ আকীল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন; ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে ১০ ওভার শেষে তাদের স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ৪২ রানে, তখনই হারিয়ে ফেলেছে ৬ উইকেট।
৬৩ রানেই ৮ উইকেট, শেষ হয়ে যায় ম্যাচ
মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি ইনিংসটা এগিয়ে নিতে চেষ্টা করলেও জুটি বেশি টেকেনি। ১৫ বলে ১৪ রান করা বিজয়কে ফেরান আবদুল গাফফার সাকলাইন। এরপর মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে আউট হন আমির আজিম—তার ইনিংস ২২ বলে ১৫ রান। ৬৩ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া।
শেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা; ৬৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ফলে বাংলাদেশ এইচপির কাছে ম্যাচটি যায় ৮৯ রানের বড় জয় নিয়ে।
বোলিংয়ে সফল বাংলাদেশ
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রাকিবুল হাসান ও মোহাম্মদ রুবেল হাসান দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া আবু হায়দার রনি, মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আবদুল গাফফার সাকলাইন ও এস এম মেহেরব হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এর মানে হলো: ঘরে বসেই সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের শক্ত অবস্থান দেখা যাচ্ছে। ব্যাটিংয়ে ১৫৮ এবং বোলিংয়ে ৬৯—দুই দিকেই ধারাবাহিকতায় এগিয়ে থাকা প্রমাণ হলো বাংলাদেশ এইচপির।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









