‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনাকে সামনে রেখে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। প্রবাসীসহ দেশের মানুষ—প্রতিটি সিদ্ধান্তে দেশকে আগে ভাবার বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছেন তিনি।
দেশপ্রেমকে দৈনন্দিন চর্চায় আনার তাগিদ

উপাচার্য বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়াই ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ভাবনার মূল। সমাজজুড়ে এমন মনোভাব গড়ে উঠলে নানান উদ্যোগে গতি আসে।
সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা
এ সময় তিনি সবাইকে এই চেতনাকে ধারণ করার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ করে বলা হয়—দেশকে সামনে রেখে একযোগে এগোলে ভবিষ্যৎ আরও মজবুত হয়।
প্রবাসীদের ক্ষেত্রেও বার্তা স্পষ্ট
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও কথাটা গুরুত্বের। দেশে টাকা পাঠানো, স্বজনের পাশে থাকা কিংবা আইনি পথে শ্রমবাজারে টিকে থাকা—সব ক্ষেত্রেই দেশকে কেন্দ্র করে চিন্তা করার মানসিকতাই কাজে লাগে।
ঢাবির শিক্ষাঙ্গনে নৈতিকতা ও মনোভাব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের এই বক্তব্য শিক্ষাঙ্গনের নৈতিক দায় ও নাগরিক মনোভাবকে সামনে এনেছে। প্রসঙ্গত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমন আহ্বান সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলে।
প্রশ্ন: ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনার বার্তা কী?
উত্তর: ব্যক্তিগত স্বার্থের আগে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলা।
প্রশ্ন: এই আহ্বান কারা শুনবে বলে বলা হয়?
উত্তর: বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।
প্রশ্ন: প্রবাসীদের জন্য এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: দেশকেন্দ্রিক চিন্তা দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত ও অবদান ধরে রাখতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









