মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ‘এশিয়া সাকসেস সামিট ২০২৬’-এ দুই বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেয়েছেন। নিজ নিজ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দক্ষতা, নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতিই এই অর্জনের মূল বার্তা—যা প্রবাসী শিক্ষাবিদদের জন্যও অনুপ্রেরণা।
কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক সম্মাননা

শনিবার (৮ আগস্ট) এ সম্মেলনে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সফল পেশাজীবীদের উপস্থিতিতে নির্বাচিত ব্যক্তিদের পুরস্কার দেওয়া হয়। আয়োজক সূত্র বলছে, ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক আয়োজকদের উদ্যোগে ‘এশিয়া সাকসেস সামিট ২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশসহ ১০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে নির্বাচিতদের সম্মানিত করা হয়।
শিক্ষা-গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি
পুরস্কারপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মাজিজ বর্তমানে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে পেরডানা ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব মেডিসিনে মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বও পালন করছেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞান, মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি শিক্ষা ও গবেষণা—দুই ক্ষেত্রেই কাজের পরিধি বিস্তৃত করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।
অর্থনীতি ও মার্কেটিংয়ে ভূমিকা
অন্যদিকে অধ্যাপক ড. এ কে এম আহসানুল হক কুয়ালালামপুরের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার ফ্যাকাল্টি অব ইকোনমিকস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি মার্কেটিং বিষয়ে দীর্ঘদিনের পেশাগত কার্যক্রমের স্বীকৃতিতেই তিনি আন্তর্জাতিক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের শিক্ষা-গবেষণায় ইতিবাচক বার্তা
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পেশাজীবীদের মধ্যে যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন, তাদের কাজকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই এ আয়োজনের লক্ষ্য। পেশাগত উৎকর্ষ, নেতৃত্ব, অবদান ও কর্মদক্ষতাকে বিবেচনায় নিয়ে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নির্বাচন করা হয়।
দুই বাংলাদেশি শিক্ষাবিদই বর্তমানে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন—একজন চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে শিক্ষা-গবেষণায় যুক্ত, অন্যজন অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা বিজ্ঞানের আওতায় মার্কেটিং বিষয়ে অধ্যাপনা করছেন। ভিন্ন শাখায় কাজ করলেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলেছে একই পথে করা মানসম্পন্ন কাজের জন্য।
প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশিদের এমন স্বীকৃতি প্রবাসী কমিউনিটির আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষা ও গবেষণা খাতের সামর্থ্যও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরে।
সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন
পুরস্কারের বিষয়টি কী? নিজ নিজ ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, সাফল্য ও সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্মাননা।
দুই বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ কোথায় কাজ করছেন? দুজনই মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।
এ ধরনের আয়োজনের লক্ষ্য কী? এশিয়ার সফল পেশাজীবীদের কাজকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









