সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় তিন দিনেও তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি। গ্যাসের তীব্রতা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকিই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে—ফলে কারণ অনুসন্ধানে দেরি হচ্ছে।
তিন দিনে কেন পৌঁছাতে পারেনি তদন্ত দল

বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার স্থানে বাতাসে গ্যাসের উপস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকায় আগে গঠিত তদন্তকারী কর্মকর্তারা সেখানকার পরিবেশে ঢুকতে পারেননি। ফলে ঘটনাস্থল ঘিরে কার্যক্রম শুরু হতে দেরি হয়েছে।
একাধিক তদন্ত কমিটি গড়া হলেও বাধা একই
দুর্ঘটনার কারণ জানতে শিল্প মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও শিপব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন—এই তিন পক্ষই তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কিন্তু তিনটি কমিটির সদস্যদের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে: তারা দুর্ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি।
বুয়েটের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ দল শুরু করেছে কাজ
এদিকে আজ সোমবার দুর্ঘটনা বিষয়ে তদন্ত শুরুর জন্য বুয়েটের একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল মাঠে নামছে। আগের বাধা কাটাতে এবার বেশি বিশেষায়িত প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাহাজটি গ্যাসমুক্ত করার উদ্যোগ
তদন্ত এগিয়ে নিতে জাহাজটিকে গ্যাসমুক্ত করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল গঠনের আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোও সতর্কতা নিয়ে চিঠি ও প্রক্রিয়া এগিয়েছে বলে জানা গেছে। লক্ষ্য হচ্ছে, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করা।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও এ খবর গুরুত্বপূর্ণ—কারখানার নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে দেশে কর্মসংস্থান ও শ্রমবাজারের আস্থা যেমন ক্ষুণ্ণ হয়, তেমনি ঝুঁকিও বাড়ে। একই সঙ্গে তদন্তের গতি ঠিকভাবে এগোলে ভবিষ্যৎ দুর্ঘটনা ঠেকানোর পথও স্পষ্ট হয়।
প্রশ্নোত্তর
প্রথম বাধা কী ছিল? দুর্ঘটনাস্থলে বিষাক্ত গ্যাসের তীব্রতা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি।
তদন্ত কীভাবে নতুন করে শুরু হচ্ছে? বুয়েটের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজ শুরু করছে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি কেন? আগে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়ায় যেতে পারেননি।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









