এসএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় বার্তা—উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় চাপ বাড়ছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এত আবেদন দেখে সরকার নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে, যাতে কোন ধরনের খাতা পুনর্মূল্যায়ন হবে—তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা যায়।
কেন নতুন নীতিমালার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিপুল সংখ্যক খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এই বাস্তবতায় পুনর্মূল্যায়নের আওতা ও সীমা নির্দিষ্ট করা জরুরি বলে তিনি মত দেন। ফলে প্রক্রিয়াটি আরও নিয়মানুগ ও পরিচালনাযোগ্য করার লক্ষ্যেই নতুন নীতিমালা আনার প্রস্তুতি চলছে।
আবেদন বেশি মানেই কী ইঙ্গিত দিচ্ছে
শিক্ষামন্ত্রী মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে প্রায় সব শিক্ষার্থীই পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ নিতে চায়। এই প্রবণতা ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে, তাই নীতিমালায় স্পষ্ট নির্দেশনা রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
শুধু খাতা নয়, শিক্ষার মানোন্নয়নেও জোর
কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বিষয়েও জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
রিসার্চ, ক্রস-বর্ডার শিক্ষা ও ভিসা সহজ করার প্রসঙ্গ
এছাড়া কিউএস রেটিং আরও উন্নত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় জোর দেওয়ার কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি ক্রস-বর্ডার এডুকেশনের কথাও উল্লেখ করেন এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগের কথাও জানান।
প্রবাসী শিক্ষার্থী পরিবারগুলোর জন্য তাৎপর্য
বাংলাদেশে থাকা বা প্রবাসে থাকা—যে পরিবারই এসএসসি পরীক্ষার ফল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তাদের জন্য পুনর্মূল্যায়ন কার্যক্রমের ‘নীতি ও আওতা’ ঠিক হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নতুন নির্দেশনা এলে কোন পরিস্থিতিতে পুনর্মূল্যায়ন সম্ভব হবে—সে ধারণা আগেই পরিষ্কার হতে পারে।
প্রশ্ন: এসএসসি পুনর্মূল্যায়নে আবেদন বেশি পড়েছে—তাতে কী হবে?
উত্তর: সরকার নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে, যাতে পুনর্মূল্যায়নের আওতা নির্দিষ্ট থাকে।
প্রশ্ন: নতুন নীতিমালা কেন দরকার?
উত্তর: এত বিপুল সংখ্যক খাতা পুনর্মূল্যায়ন পরিচালনা করা কষ্টসাধ্য—তাই প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণযোগ্য করতে সীমা ও ধরন নির্ধারণ করা হবে।
প্রশ্ন: শিক্ষামন্ত্রী আর কী উদ্যোগের কথা বলেছেন?
উত্তর: বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, গবেষণা এবং ভিসা নীতি সহজ করে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ বাড়ানোর কথাও বলেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









