দুর্নীতি ও অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারলে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
শুক্রবার ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, “ছয় মাস ধরে দায়িত্বে আছি। যে যত কথাই বলুক, স্পেসিফিকভাবে কেউ কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম প্রমাণ করতে পারবেন না। যেদিন প্রমাণ করবেন, সেদিন দায়িত্ব ছেড়ে দেব।”
তিনি বলেন, দেশে পরিবর্তনের যে লড়াই শুরু হয়েছে, তার শেষ দেখে যেতে চান তারা। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলন ও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করেন নুরুল হক নুর। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এনসিপিকে দাঁড় করাতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুনর্বাসন করেছে।
নুরের অভিযোগ, এনসিপির নেতাদের অনেকে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং সঠিকভাবে তদন্ত করা হলে তাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতির তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি সভায় কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
এনসিপির নেতাদের অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও মন্তব্য করেন গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা। তার দাবি, দলটির ৮০ শতাংশ নেতা অতীতে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
জামায়াতের সমালোচনা করে নুর বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য দলটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন অবস্থান নিচ্ছে। তার ভাষায়, রাজপথে এক ধরনের অবস্থান এবং সংসদে আরেক ধরনের অবস্থান দেখা যাচ্ছে।
কর্মিসভায় গণঅধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারুক হাসান, আরিফুর রহমান, মো. ইউনুস, আরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিব উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিলসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।





