বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা ও জাতীয় পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার পর মেঘমল্লার বসুর জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছেন তার নিকট আত্মীয় ইমন বসু। একই সঙ্গে তাকে কৃত্রিম অক্সিজেন দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সন্তোষজনক পাওয়ায় তাকে নতুন ভবনের ষষ্ঠ তলার ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারছেন এবং কৃত্রিম অক্সিজেন বা লাইফ সাপোর্ট ছাড়াই রয়েছেন।
ইমন বসু জানান, চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার ধারাবাহিক উন্নতির কথা জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট এলাকা থেকে অসুস্থ অবস্থায় মেঘমল্লার বসুকে উদ্ধার করা হয়। পরে তার পরিচিত ব্যক্তিরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তার পাকস্থলী ধৌত করেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিকেল থেকে মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন।
এর আগে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬০২ নম্বর কক্ষের ৩ নম্বর শয্যায় ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিষক্রিয়ার আশঙ্কায় তার পাকস্থলী ধৌত করা হয়েছিল।
এর আগে চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন মেঘমল্লার বসু। সে সময় তাকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল জানিয়েছিলেন, একাধিক ঘুমের ওষুধ সেবনের মাধ্যমে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
