GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / স্বাস্থ্যসেবায় বড় বরাদ্দ, ৬০ পৌরসভায় যাচ্ছে ৫০ কোটি টাকা

স্বাস্থ্যসেবায় বড় বরাদ্দ, ৬০ পৌরসভায় যাচ্ছে ৫০ কোটি টাকা

স্বাস্থ্যসেবায় বড় বরাদ্দ, ৬০ পৌরসভায় যাচ্ছে ৫০ কোটি টাকা

দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তির ৫০ কোটি টাকা ছাড় করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় এসব পৌরসভার জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

৬০ পৌরসভার জন্য মোট কত টাকা বরাদ্দ?

চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্পের আওতায় পৌরসভাগুলোর জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৫০ কোটি টাকা ছাড় করা হচ্ছে।

ছাড় করা অর্থ ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২য় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে দেওয়া হবে।

যেসব পৌরসভা বরাদ্দ পেয়েছে

বরাদ্দের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন পৌরসভা।

কোন খাতে ব্যয় করা যাবে?

চিঠিতে বলা হয়েছে, বরাদ্দের অর্থ শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করা যাবে।

এর মধ্যে রয়েছে—

  • প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা
  • নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা
  • প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা
  • সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ
  • সাধারণ রোগের চিকিৎসা
  • স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ
  • স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয়

পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে।

অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অব্যয়িত টাকা ফেরতের নির্দেশ

নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।

একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার এবং হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

Social Icons