GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ পাঠ্যবইয়ে, এনসিসিসির চূড়ান্ত অনুমোদন

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিবন্ধটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাঁর তৎকালীন একটি ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এনসিটিবি ও বাসসের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বইয়ে যেভাবে থাকবে নিবন্ধটি

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন পরিচয় উল্লেখ করা হবে। এর মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ পরিচয় রয়েছে।

প্রবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব হিসেবে না দেখানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ব্যক্তির ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

চট্টগ্রামের প্রতিরোধ ও কালুরঘাটের স্মৃতিচারণ

‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রামে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠা, পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকের বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতিচারণ রয়েছে।

নিবন্ধে জিয়াউর রহমানের নিজের বর্ণনায় ২৫ ও ২৬ মার্চের রাতের ঘটনাপ্রবাহ এবং চট্টগ্রামে সামরিক প্রতিরোধ শুরুর বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ঘটনাও এতে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।

তাঁর স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় তিনি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে যান এবং সেখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা লেখার কথা উল্লেখ করেন। নিবন্ধে ওই ঘোষণার প্রচারের সময় ও বিষয়বস্তুর বর্ণনাও রয়েছে।

কী বলছে এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকও জানিয়েছেন, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে নিবন্ধটির ঐতিহাসিক ভূমিকা ও পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির তাৎপর্য নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাবিদের বক্তব্যও প্রতিবেদনে এসেছে। এসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজস্ব মতামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিবন্ধটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাঁর তৎকালীন একটি ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এনসিটিবি ও বাসসের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বইয়ে যেভাবে থাকবে নিবন্ধটি

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন পরিচয় উল্লেখ করা হবে। এর মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ পরিচয় রয়েছে।

প্রবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব হিসেবে না দেখানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ব্যক্তির ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

চট্টগ্রামের প্রতিরোধ ও কালুরঘাটের স্মৃতিচারণ

‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রামে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠা, পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকের বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতিচারণ রয়েছে।

নিবন্ধে জিয়াউর রহমানের নিজের বর্ণনায় ২৫ ও ২৬ মার্চের রাতের ঘটনাপ্রবাহ এবং চট্টগ্রামে সামরিক প্রতিরোধ শুরুর বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ঘটনাও এতে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।

তাঁর স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় তিনি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে যান এবং সেখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা লেখার কথা উল্লেখ করেন। নিবন্ধে ওই ঘোষণার প্রচারের সময় ও বিষয়বস্তুর বর্ণনাও রয়েছে।

কী বলছে এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকও জানিয়েছেন, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে নিবন্ধটির ঐতিহাসিক ভূমিকা ও পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির তাৎপর্য নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাবিদের বক্তব্যও প্রতিবেদনে এসেছে। এসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজস্ব মতামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Social Icons