GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / প্রবাসের খবর / মধ্যপ্রাচ্য / ইসরাইলের নির্বাচনে আরব দলগুলো কি ‘কিংমেকার’ হতে পারবে?

ইসরাইলের নির্বাচনে আরব দলগুলো কি ‘কিংমেকার’ হতে পারবে?

ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে পারে বলে বুথফেরত জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম—এই দুই আরব নেতৃত্বাধীন দল সম্মিলিতভাবে ১২০ আসনের নেসেটে ১৭টি আসন পেতে পারে। এতে দেশটির সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে আরব দলগুলোর গুরুত্ব বেড়েছে।

তবে আসনসংখ্যা বাড়লেও দলগুলো শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারণকারী বা ‘কিংমেকার’ হয়ে উঠতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, ইসরাইলের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অনেকেই আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট গঠনে অনাগ্রহী।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ভোটের বুথফেরত জরিপের সর্বশেষ পূর্বাভাসে আরব দলগুলোর এই সম্ভাব্য সাফল্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে নির্বাচনের ফলাফল ও সরকার গঠনের চূড়ান্ত সমীকরণ তখনো পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি।

## নির্বাচনে এগিয়ে কে, কী বলছে আসনের হিসাব?

নির্বাচনের আংশিক ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট ৫৪টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে, গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৯টি আসন।

ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। ফলে কোনো পক্ষই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সম্ভাব্য ১৭টি আসন সরকার গঠনের হিসাবকে প্রভাবিত করতে পারে। বুথফেরত জরিপের হিসাব অনুযায়ী, আইজেনকোটের বিরোধী জোট আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে পারলে সম্মিলিত আসনসংখ্যা ৬১ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিরোধী জোট ও আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর আসন একত্র হলে সংখ্যা ৬৬-তে পৌঁছাতে পারে। এতে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি হতে পারে।

তবে এই হিসাব এখনো রাজনৈতিক সমঝোতা ও সরকার গঠনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। আসনসংখ্যা সম্ভাব্য সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করলেও তা বাস্তবে জোট গঠনের নিশ্চয়তা দেয় না।

## কেন ‘কিংমেকার’ হতে বাধা আরব দলগুলোর?

ইসরাইলের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল শেকের মতে, এবারের নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো আরব ভোটের উত্থান ও পুনর্জাগরণ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইলের রাজনীতিতে বড় একটি ভোটারগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

তবে রাজনৈতিক প্রভাবকে সরকারে অংশগ্রহণের ক্ষমতায় রূপান্তর করাই আরব দলগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর একটি অংশ আরব নেতৃত্বাধীন তালিকার সঙ্গে সরকার গঠনে আগ্রহী নয়।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় অবস্থিত প্যালেস্টিনিয়ান ফোরাম ফর ইসরাইলি স্টাডিজের মহাপরিচালক হোনাইদা গানাম আল জাজিরাকে বলেন, আরব নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে একটি কাঠামোগত বাধা রয়েছে। তাঁর মতে, এই বাধার শিকড় এমন রাজনৈতিক ব্যবস্থায়, যেখানে আরব নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরকার পরিচালনার গ্রহণযোগ্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট—দুজনই অভিন্ন মূল্যবোধের অভাবের কথা উল্লেখ করে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ফলে সংখ্যার হিসাবে আরব দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকার গঠনের আলোচনায় তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে পড়তে পারে।

## আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট কি সম্ভব?

ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বিশ্লেষক আহমেদ নাজ্জারের মতে, আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন শুধু সম্ভবই নয়, বরং নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য আইজেনকোটের কাছে এটি বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে।

তবে বিরোধী জোটের আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে অনীহা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। নাজ্জারের মতে, আইজেনকোট আরব দলগুলোর প্রতি আনুগত্যের পরীক্ষা চাপিয়ে দিয়েছেন এবং নির্বাচনি হিসাব-নিকাশে তাদের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও সেই সমর্থনের ওপর নির্ভর করার বিষয়টি নাকচ করেছেন।

অন্যদিকে, প্যালথিঙ্ক ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক ওমর শাবান জানিয়েছেন, রা’আমের নেতা মানসুর আব্বাস ইতোমধ্যে আইজেনকোট সরকার গঠন করলে তাতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন। তবে শর্ত হিসেবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়গুলো আরব দলটির হাতে থাকার কথা বলা হয়েছে।

শাবানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আব্বাস রা’আমের প্রার্থী তালিকায় ইহুদি আইনপ্রণেতা ইয়োয়াভ সেগালোভিটজকে দ্বিতীয় অবস্থানে রেখেছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইহুদি ইসরাইলিদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

তবে প্রস্তাবিত জোট বাস্তবায়নের জন্য শুধু আরব দলগুলোর আগ্রহ যথেষ্ট নয়। আইজেনকোটের সম্ভাব্য অন্য জোটসঙ্গীদেরও এতে সম্মত হতে হবে।

## নেতানিয়াহুকে সরাতে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আরব দলগুলো

জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসেফ জাবারিন বুধবার বলেছেন, নেতানিয়াহুর উগ্র ডানপন্থি জোটকে ক্ষমতা থেকে সরাতে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তাঁর দল।

ইদিওথ আহরোনথ পত্রিকার বরাতে বলা হয়েছে, জাবারিন অভিযোগ করেন, সরকার আরব নাগরিকদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। তিনি আরও জানান, নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে দলের মূল্যবোধ এগিয়ে নিতে তাঁরা সক্ষম হবেন বলে আশা করছেন।

জয়েন্ট লিস্টের আরেক নেতা আহমদ তিবিও বুধবার ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী জোটের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তাঁর দল। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

এদিকে, ওমর শাবানের মতে, সম্ভাব্য জোটের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইলি সমাজের আরও উগ্র অংশ। তাদের একটি অংশ আরব ভোটের সমর্থনে বা নির্ভরতায় সরকার গঠনের বিরোধিতা করে।

## বেনেট ও লিবারম্যানের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ

আইজেনকোটের বিরোধী জোট আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে চাইলে সম্ভাব্য অন্য জোটসঙ্গীদের সম্মতিও প্রয়োজন হবে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন টুগেদার জোটের নাফতালি বেনেট এবং ইসরাইল বেইতেনু পার্টির প্রধান আভিগদর লিবারম্যান।

আহমেদ নাজ্জারের মতে, এ ধরনের জোট গড়তে হলে আইজেনকোট ও তাঁর সম্ভাব্য অংশীদারদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐকমত্য থেকে সরে আসতে হবে। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সেই ঐকমত্যে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার স্বীকার করা হলেও তাঁদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে সরকার পরিচালনার বৈধ অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে।

অন্যদিকে, হোনাইদা গানাম সরকার গঠনের সম্ভাব্য চারটি পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো—নতুন নির্বাচন, আরব দলগুলোর বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে বিরোধীদের সংখ্যালঘু সরকার গঠন, বিরোধী জোট থেকে নেতানিয়াহুর শিবিরে সদস্যদের যোগ দেওয়া অথবা জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন।

এই সম্ভাবনাগুলো থেকে বোঝা যায়, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের পথ শুধু আসনসংখ্যার ওপর নির্ভর করবে না; রাজনৈতিক সমঝোতা ও দলগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ হবে।

## আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটে অনীহা কেন?

আহমেদ নাজ্জারের মতে, আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে কাজ করতে ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর অনীহা ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় গভীর বিভাজনের ইঙ্গিত দেয়।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু বিরোধী নেতা নেতানিয়াহু ও উগ্র ডানপন্থিদের গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করলেও আরব প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা ভাগ করে নেওয়ার প্রশ্নে অনাগ্রহ দেখান।

নাজ্জারের মতে, আপত্তি শুধু কোনো নির্দিষ্ট আরব দলের নীতি বা কর্মসূচি নিয়ে নয়; বরং ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনায় বাস্তব ক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও এর সঙ্গে জড়িত।

তিনি যুক্তি দেন, একটি রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নাগরিক ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেও তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরকার পরিচালনার অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করা না হলে গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন সামনে আসে।

তবে এসব মন্তব্য সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের রাজনৈতিক মূল্যায়ন। ইসরাইলের বিভিন্ন দলের অবস্থান ও সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে বিতর্ক নির্বাচনের পরবর্তী সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে।

## নেতানিয়াহু ও বেনেটের অবস্থান কী?

মঙ্গলবার নেতানিয়াহু বলেছেন, সরকার গঠনের জন্য আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট করা ‘লজ্জাজনক ও অসম্মানজনক’ হবে। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসরাইলকে বিপদের মুখে ফেলা এবং জায়োনিবাদবিরোধী আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল সরকার গঠন গ্রহণযোগ্য নয়।

বর্তমানে তৃতীয় অবস্থানে থাকা নাফতালি বেনেটও বলেছেন, তিনি সরকারে কেবল জায়োনিস্ট দলগুলোকে রাখতে চান এবং আরব দলগুলোকে বাদ দিতে চান।

অন্যদিকে, আইজেনকোটের বিরোধী জোটের অংশ মধ্য-বামপন্থি ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান তাঁর মিত্রদের আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতায় অনীহা পরিত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘ইহুদি ও আরব ভোটের মধ্যে নেতানিয়াহুর বর্ণবাদী বিভাজন আমরা আর মেনে নিতে পারি না।’

এভাবে প্রধান রাজনৈতিক নেতাদের অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। একদিকে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য আসনসংখ্যা সরকার গঠনে তাদের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে জোট গঠনের প্রশ্নে রাজনৈতিক আপত্তি সেই সম্ভাবনাকে সীমিত করছে।

## এর আগে কি ইহুদি ও আরব দল একসঙ্গে সরকার গঠন করেছে?

ইসরাইলের রাজনীতিতে ইহুদি ও আরব দলগুলোর সহযোগিতার নজির রয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর রা’আম সরকার গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সে সময় নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের স্বল্পস্থায়ী সরকার গঠনে দলটির সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

আহমেদ নাজ্জারের মতে, ২০২১-২০২২ সালেও রা’আম জোট সরকারে অংশ নিয়েছিল। এর আগেও আরব দলগুলো বাইরে থেকে সরকারকে সমর্থন দিয়েছে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রবিনের আমলে।

নাজ্জারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আরব দলগুলোর সরকার গঠনে ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে বাধাটি মূলত আদর্শগত, সাংবিধানিক বা বাস্তব কোনো অমীমাংসিত সমস্যা নয়।

তবে অতীতের নজির থাকলেও বর্তমান নির্বাচনে একই ধরনের সমঝোতা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান, পারস্পরিক শর্ত এবং সম্ভাব্য জোটসঙ্গীদের সম্মতির ওপর পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

## শেষ কথা

ইসরাইলের নির্বাচনে জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম সম্মিলিতভাবে ১৭টি আসন পেতে পারে বলে বুথফেরত জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এই সম্ভাব্য ফল আরব দলগুলোকে সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আইজেনকোটের বিরোধী জোট তাদের সঙ্গে সমঝোতা করলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে নেতানিয়াহু, বেনেট এবং বিরোধী শিবিরের অন্য নেতাদের অবস্থানের কারণে আরব দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে আসনসংখ্যায় শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করলেও আরব দলগুলো শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারণকারী ‘কিংমেকার’ হতে পারবে কি না, তা নির্ভর করছে রাজনৈতিক সমঝোতা ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর।

**সূত্র: যুগান্তর ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য অবলম্বনে।**

Social Icons