GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / তাহসিফের মৃত্যুতে হত্যা মামলা, বন্ধু দ্বীপের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

তাহসিফের মৃত্যুতে হত্যা মামলা, বন্ধু দ্বীপের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা করেছেন তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল। এ মামলায় তাহসিফের জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে নৌপুলিশ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উত্তরখান থানায় মামলাটি করা হয়। পরে দ্বীপকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নৌপুলিশ ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাহসিফের বাবা উত্তরখান থানায় হত্যা মামলাটি করেছেন। মামলায় গ্রেফতার দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

মামলাটি উত্তরখান থানায় করা হলেও এর তদন্ত করবে নৌপুলিশ।

যেভাবে উদ্ধার হয় তাহসিফের মরদেহ

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। পরদিন টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় তুরাগ নদে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা ঘটে। নদীর সীমানাপ্রাচীরের ২৯ নম্বর পিলারের কাছ থেকে তার ঝাঁপ দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

পরে উত্তরখান থানার আওতাধীন তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপের দেওয়া তথ্য

তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় কী ঘটেছিল, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে নৌপুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মোহাম্মদপুর থেকে শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ দাবি করেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় পুলিশসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ধাওয়া করেছিলেন। ওই সময় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন বলে জানান তিনি।

দ্বীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পিবিআই মাজার বস্তি এলাকার হোন্ডা গলি থেকে তাহসিফের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করে। শুক্রবার দ্বীপকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেন পিবিআই সদস্যরা।

পরে শুক্রবার রাতে দ্বীপকে নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করে সংস্থাটি। এখন হত্যা মামলায় তার রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

তবে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সময় কী ঘটেছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

Social Icons