সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি আলোচনা করতে পছন্দ করেন না অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন। ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো প্রকাশ্যে না আনার পেছনে রয়েছে তাঁর নিজস্ব পছন্দ এবং স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত জীবন, দাম্পত্য সম্পর্ক ও দৈনন্দিন অভ্যাস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ বিষয়গুলো জানিয়েছেন তিনি।
ফারিন বলেন, নিজের মতো করে নিজের জগতে থাকতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ব্যক্তিগত জীবন সব সময় প্রচারের বাইরে রাখতে পছন্দ করেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী।
১০ বছরের সম্পর্ক, দুই বছরের বেশি সময়ের সংসার
নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়ে তাসনিয়া ফারিন জানান, তাঁদের সম্পর্কের বয়স ১০ বছর। আর দুই বছরের বেশি সময় ধরে বিবাহিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, স্বামী ও তাঁর পারস্পরিক সিদ্ধান্তেই পারিবারিক জীবন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচার থেকে দূরে রাখা হয়। ব্যক্তিগত জীবনের অতিরিক্ত প্রকাশ অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত আলোচনা ও মানুষের বিচার-বিশ্লেষণের জন্ম দেয়। এ কারণেই নিজেদের সংসারকে ব্যক্তিগত পরিসরে রাখতে চান তাঁরা।
শুটিং না থাকলে কেমন কাটে ফারিনের দিন?
শোবিজ অঙ্গনের কাজের সময়সূচি অনেক সময় অনিয়মিত হলেও নিজের দৈনন্দিন জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখেন তাসনিয়া ফারিন।
তিনি জানান, স্কুল-কলেজে পড়ার সময় থেকেই নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস তৈরি হয়েছে। এখনো সেই অভ্যাস ধরে রেখেছেন। শুটিং না থাকলে সাধারণত রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে ঘুমাতে যান। সকালে ওঠেন খুব ভোরে।
নিজের দৈনন্দিন কাজের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাবার রান্না করা, ঘর গোছানো এবং শরীরচর্চাও রয়েছে। ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য সময় বের করে এসব কাজ করতে পছন্দ করেন তিনি।
নাটক ও ওটিটি থেকে সিনেমায় ফারিন
নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন তাসনিয়া ফারিন। পরবর্তী সময়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়েছেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় নয় বছর আগে সিনেমায় নাম লেখালেও তখন তাঁর অভিনীত সিনেমা মুক্তি পায়নি। পরে ‘ফাতিমা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। এরপর চলতি বছর ‘প্রিন্স’ সিনেমায় অভিনয় করেন ফারিন। এতে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন শাকিব খান।
তবে ‘প্রিন্স’ সিনেমায় ফারিনের চরিত্র ও অভিনয়ের পরিসর নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের একাংশের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। অনেকের মতে, সিনেমাটিতে শাকিব খানের উপস্থিতির তুলনায় ফারিনের চরিত্রের ভূমিকা ছিল সীমিত।








