উপাচার্যের বক্তব্য—জিয়াউর রহমানই পথ দেখিয়েছিলেন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন বলেই বাংলাদেশ পেয়েছে স্বাধীনতা, একটি মানচিত্র এবং একটি ভূখণ্ড। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ গুরুত্বপূর্ণ দর্শন।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) জবি শাখা এই আয়োজন করে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার ঘোষণা
উপাচার্য স্মরণ করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর নির্যাতনে জাতি যখন দিশেহারা, তখন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে পথ দেখান। তিনি বলেন, শুধু ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি, জেড ফোর্স গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বও দিয়েছেন।
তিনি আরও যোগ করেন, জাতি যখনই সংকটের মুখে পড়েছে, তখনই জিয়াউর রহমান পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। আর সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখানোর দর্শনের নাম বলেও তিনি উল্লেখ করেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে।
রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব আর গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয়তাবাদ
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দর্শন হিসেবে তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত রাখতে হলে এই দর্শনকে আত্মস্থ করতে হবে। তিনি জানান, তারা এ দর্শন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাবেন।
এদিকে উপাচার্য সতর্ক করে দেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে খাটো করার উদ্দেশ্যে কোনো অপপ্রচার বা বট আইডির মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা এই ক্যাম্পাসে চলতে দেওয়া হবে না।
মন্ত্রীর বক্তব্য—অভিন্ন পরিচয়ের ভিত্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল দর্শন হলো—বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকের অভিন্ন পরিচয় ‘বাংলাদেশি’। ধর্ম, ভাষা, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এই দর্শন জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি গড়ে তোলে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে ইউট্যাব জবি শাখার সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউট্যাব জবি শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ।
প্রশ্ন—উপস্থাপনায় কী জোর দেওয়া হয়েছে?
কেন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’কে কেন্দ্র করা হয়েছে? মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ধরে রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দর্শন হিসেবে এটিকে তুলে ধরেছেন বক্তারা।
সেমিনারে সতর্কবার্তা কী নিয়ে? জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে খাটো করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা ঠেকাতে।
অনুষ্ঠানটি কোথায় অনুষ্ঠিত? জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









