জেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রশাসনের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যক্ষ মো. শরীফুল ইসলাম।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা

স্বীকৃতি পাওয়ার পেছনে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় শৃঙ্খলা, শিক্ষার মান ধরে রাখা এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়গুলো উঠে এসেছে। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি নিয়মিতভাবে শিক্ষার গুণগত দিক জোর দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
অধ্যক্ষের নেতৃত্বে চলেছে সংগঠিত কার্যক্রম
প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরিকল্পনা ও নিয়মিত তদারকিকে কেন্দ্র করে শিক্ষাকার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চিত্র পাওয়া যায়। ফলে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পড়াশোনার গতি ধরে রেখে সহপাঠ্য কার্যক্রমেও প্রাণ সঞ্চার হয় বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান।
স্বীকৃতিতে অনুপ্রেরণা প্রবাসীসহ শিক্ষাঙ্গনে
এই স্বীকৃতি শুধু প্রতিষ্ঠান বা জেলার গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের কাছেও শিক্ষার অগ্রগতির বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে। শিক্ষক-নেতৃত্বকে সামনে রেখে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এমন উদ্যোগগুলো অনুপ্রেরণা জোগায়।
পরবর্তী পদক্ষেপে আরও গতি
শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে স্বীকৃতির পর দায়িত্ব আরও সতর্কতার সঙ্গে পালনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার মান, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষার্থীদের সামর্থ্য বিকাশে ধারাবাহিক কাজের ধারা অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে।
প্রশ্নোত্তর
কে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েছেন?
অধ্যক্ষ মো. শরীফুল ইসলাম।
এই স্বীকৃতির ভিত্তি কী?
প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় শিক্ষার মান ও সংগঠিত কার্যক্রমে ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে কী বার্তা পাওয়া যায়?
শিক্ষক-নেতৃত্বের অবদানকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি আরও দৃশ্যমান হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









