রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলার নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুরু হওয়া এই সভা রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত চলে।
গুলশানে তারেক রহমানের সাংগঠনিক সভা

বিকেল পাঁচটা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে শুরু হয় সভার কর্মসূচি। সভায় তৃণমূল পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা, দলকে গতিশীল করা এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বিএনপির শীর্ষ নেতারা ও রংপুর বিভাগের প্রতিনিধিরা
সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীসহ দলটির সাংগঠনিক পর্যায়ের একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু সভায় উপস্থিত থেকে সার্বিকভাবে কর্মপরিকল্পনা-সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ নেন। এদিকে রংপুর বিভাগের নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির পাশাপাশি রংপুর জেলা ও মহানগরের নেতারাও সভায় অংশ নেন।
মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি, একক প্রার্থী ও অঙ্গ সংগঠনের নির্দেশনা
সভায় তারেক রহমান তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কাজ আরও জোরদার করার পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে ছিল—বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দ্রুত গঠন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার নীতি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ।
কুড়িগ্রাম বিএনপির নেতা মন্তব্যে বিরত
সভা সম্পর্কে জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, এটি তাদের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক সভা। তৃণমূলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—এর বাইরে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না।
প্রবাসী বাংলাদেশি পাঠকদের জন্যও রাজনৈতিক অঙ্গনের এই সাংগঠনিক উদ্যোগটি নজর কেড়েছে—বিশেষ করে রংপুর বিভাগের তৃণমূল নেতৃত্বকে সামনে রেখে দলকে কীভাবে আরও সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনার ধরনই এখানে প্রধান হয়ে উঠেছে।
প্রশ্ন: সভাটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর: রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে।
প্রশ্ন: কোন বিষয়ে মূল দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়?
উত্তর: তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দ্রুত গঠন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন শক্তিশালী করার বিষয়ে।
প্রশ্ন: কতক্ষণ সভা চলে?
উত্তর: সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









