রোববার সকালে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি সেখানে উপস্থিত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সেনাসদরে উদ্বোধন, তারপর কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা

সেনাসদর পৌঁছানোর পর সেনাপ্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন, সৌজন্য বিনিময় করেন।
সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবির সামনে গিয়ে শ্রদ্ধা
বক্তব্য শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবির তালিকার সামনে যান। সেখানে ছিলেন জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী, জেনারেল জিয়াউর রহমান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদসহ ১২ জন সাবেক সেনাপ্রধানের প্রতিকৃতি। ছবির তালিকার সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে সেনাবাহিনী আধুনিকায়নের বার্তা
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, একটি পেশাদার ও আধুনিক সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, পেশাগত যোগ্যতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা ছাড়াও শান্তি, দুর্যোগ ও সহায়তার ভূমিকা
প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ জন্য তিনি সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সেনাবাহিনীর পরিদর্শক বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









