ঢাকার একাডেমিক অঙ্গনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। তিনি বলেছেন, বৈষম্যমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
জুলাই চেতনা ধারণের আহ্বান

ঢাবি ভিসি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, ওই চেতনা কেবল একটি স্মৃতি নয়; তা বাস্তবায়নের পথনির্দেশ। বৈষম্য ও অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে সংগ্রাম, সেটাতেই সবাইকে যুক্ত থাকতে হবে।
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া মানে—সামাজিক, শিক্ষাগত ও নাগরিক জীবনে যেন কারও সঙ্গে বৈষম্য না হয়। সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদার ক্ষেত্রে সমতার যে ধারণা, সেটাকে ভিত্তি করেই এগোতে হবে।
দায়িত্বের কথা বলেছেন ভিসি
ঢাবি ভিসির বক্তব্যে উঠে আসে—এই লক্ষ্য অর্জনে কেবল সরকার বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও কথাগুলো বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক—দূরে থেকেও যেন কেউ বৈষম্যবিরোধী মূল্যবোধ ধারণ করে, নিজের পরিমণ্ডলে মানবিকতা ও ন্যায্যতার চর্চা বজায় রাখে।
ভিসির বক্তব্যে বার্তা কী?
সবার উদ্দেশে মূল বার্তা—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে ঐক্য, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধকে বাস্তব কাজের মধ্যে আনতে হবে।
প্রশ্ন—উত্তর
প্রশ্ন: ঢাবি ভিসি কী বিষয়ে কথা বলেছেন?
উত্তর: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছেন।
প্রশ্ন: বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার কথায় কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মানুষের সুযোগ ও মর্যাদায় সমতা নিশ্চিত করার বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









