GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ও খেলাধুলা পেশা গড়ে তোলা

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ও খেলাধুলা পেশা গড়ে তোলা

শিশু-কিশোর ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের চিত্র

মেধাবী, সুস্থ এবং আত্মবিশ্বাসী একটি প্রজন্ম গড়ে তোলাকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অগ্রগতির ভিত্তি।

প্রসঙ্গত তিনি বলেন, খেলাধুলাকে শুধু শরীরচর্চা বা বিনোদন-প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পেশা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে ক্রীড়াকে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

ক্রীড়া কেন মানবসম্পদ উন্নয়নের হাতিয়ার

শিশু-কিশোর ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের চিত্র

প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, খেলাধুলা একটি সুস্থ, উদ্যমী ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে বড় ভূমিকা রাখে। তার মতে, ক্রীড়া জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্যও শক্তিশালী মাধ্যম।

তিনি আরও জানান, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণ করে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন হচ্ছে। ক্রীড়াবিষয়ক এই উদ্যোগগুলো প্রতিভা খোঁজার পাশাপাশি পরিচর্যা ও বিকাশের পথও তৈরি করছে।

জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়ার অন্তর্ভুক্তি

এই উদ্যোগের ব্যাখ্যায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় তার জায়গা শক্ত করা দরকার। সে লক্ষ্যেই জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়াকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

তার বক্তব্যে উঠে আসে, খেলাধুলা শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা জাগিয়ে তুলতে পারে। পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বাড়ায় এবং ইতিবাচক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে সহায়ক হয়।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’ কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’ এর উদ্বোধন করা হয়। এরপর সারাদেশে আটটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে আয়োজনের প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

তিনি বলেন, তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি একটি কার্যকর ও টেকসই ভিত্তি তৈরি করবে। তার প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের জাতীয় দল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদ গড়ে উঠবে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতার প্রতিশ্রুতি

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থাও আছে বলে জানান তিনি।

তার ভাষায়, প্রতিভা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই হবে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড—এমন একটি ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি আবারও বলা হয়। ‘নতুন কুঁড়ি’কে আরও সমৃদ্ধ করতে ধারাবাহিক উদ্যোগের কথাও উঠে আসে।

প্রবাসী পাঠকদের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনটি কী উদ্দেশ্যে?
তৃণমূল পর্যায় থেকে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, পরিচর্যা ও বিকাশের উদ্দেশ্যেই এটি।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী কবে?
২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে।

ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়তে সরকারের উদ্যোগ কী?
ক্রীড়াকে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons