বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-আইইউবির অধ্যাপক শাহ এমরান। শিক্ষা খাতের মান নিশ্চিতে এবং একাডেমিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলে নতুন সদস্য

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই ও মানোন্নয়নের ধারাকে শক্ত করতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য পদে অধ্যাপক শাহ এমরানকে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে কাউন্সিলের কার্যক্রমে নতুন অভিজ্ঞতার সংযোজন হলো।
শিক্ষা খাতে প্রভাব কোথায়
অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম মূলত প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমের মান, কাঠামো, পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ—এসব দিক বিবেচনায় সহায়তা করে। তাই কাউন্সিলে যোগ হওয়া সদস্যদের সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ বাস্তবে ভর্তি প্রস্তুতি, পাঠ্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সামগ্রিক শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করতে পারে।
আইইউবির শিক্ষক হিসেবে ভূমিকা
আইইউবির অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপক শাহ এমরান একাডেমিক পরিবেশ ও উচ্চশিক্ষার চর্চার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকেন। অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলে থাকলে তিনি প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বাস্তবতা বুঝে মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করা যায়।
প্রবাসী শিক্ষার্থী ও পরিবারের জন্য বার্তা
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে কাজ এগোলে প্রবাসে থাকা পরিবারের শিক্ষায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও স্বস্তি তৈরি হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাছাই, ডিগ্রির মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
অধ্যাপক শাহ এমরান কেন আলোচনায়?
তিনি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কাজ কী?
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই ও মানোন্নয়নের দিকনির্দেশনা দিতে তারা কাজ করে।
এতে শিক্ষার্থীরা কীভাবে উপকৃত হবে?
উচ্চশিক্ষায় মান ধরে রাখা ও উন্নতির প্রক্রিয়া কার্যকর হলে শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ ও শিক্ষার মানের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









