কাফরুল থানার কাঠামোগত হামলা-হত্যার ঘটনায় ‘রাজনৈতিক স্বার্থ’ ঘিরে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য উঠেছে। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন।
নির্বাচন ঘিরে হামলার কারণ দাবি

হাফিজুল ইসলাম বাবু দাবি করেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে তার প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশই নাকি হামলার মূল কারণ। তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে রাজি নন কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি।
জনির পাল্টা অভিযোগ ও প্রতিরোধ
সাব্বির দেওয়ান জনি বলেন, তাকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়াতে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুর সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি তোলা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছবি প্রদর্শনের অভিযোগ
জনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা ব্যক্তিদের ছবি সংবাদ সম্মেলনে দেখানোর মধ্য দিয়ে হত্যাকাণ্ডের তদন্তকে ভিন্ন দিকে নিতে চাওয়া হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন—তদন্ত নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার নাম টানা হচ্ছে কেন।
আইনগত প্রক্রিয়ার পক্ষে জনির বক্তব্য
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইনের পথে তদন্ত এগোলে দোষী ব্যক্তি আইনের আওতায় আসবে। কারও নাম ব্যবহার করে মামলাকে অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা হলে সেটি বাস্তব অর্থে বিচার বাধাগ্রস্ত করারই ইঙ্গিত বহন করবে বলে তার বক্তব্য।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ অবস্থানের ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ প্রসঙ্গে জনি বলেন, তিনি ২০১৫ সালে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন এবং ওই ওয়ার্ডে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। তার ভাষ্য, প্রার্থী-সংখ্যা বেশি হলেও একজনকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিজের ‘লাইন ক্লিয়ার’ হওয়ার মতো বিষয় আসলে যুক্তিযুক্ত নয়।
এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রবাসী ভোটারদের কাছেও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ নির্বাচনী রাজনীতিতে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ওপর আস্থা নড়বড়ে হতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









