জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক সদস্য। এই ধরনের শিক্ষা বাস্তব দক্ষতা বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পথ আরও খোলার ইঙ্গিত দেয়।
লক্ষ্য দক্ষতা বাড়ানো

ইউজিসি সদস্যের বক্তব্যের মূল সুর ছিল—শুধু তথ্য মুখস্থ নয়, অর্জিত জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক যোগ্যতাও যেন শিক্ষার কেন্দ্রে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার শেষে কাজে লাগানোর মতো দক্ষতা নিয়ে বের হতে পারবে।
শিক্ষার সঙ্গে বাস্তবতার যোগ
প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা শেষ করে অনেকেই দেশে চাকরি খোঁজেন, আবার অনেকে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতিও নেন যোগ্যতা দিয়ে। দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা সেই প্রস্তুতি আরও শক্ত করে।
কর্মসংস্থানের পথ সুগম
জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতির লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করা। শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা যদি বাজারের চাহিদার সঙ্গে মেলে, তাহলে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতাও বাস্তবভিত্তিক হয়।
প্রশ্ন আসছে বাস্তবায়ন নিয়ে
বক্তব্যে দিকনির্দেশনার কথাই বেশি এসেছে। এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রম, মূল্যায়ন ও প্রশিক্ষণ কীভাবে সাজানো হবে—সেটাই শিক্ষার্থীদের জন্য বড় বিষয়।
ইউজিসির এ ধরনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের আশা বাড়ে—পড়া শেষে শুধু সনদ নয়, কাজে লাগার মতো পারদর্শিতাও যেন হাতে থাকে। প্রবাসী পরিবারগুলোরও প্রত্যাশা থাকে, সন্তান যেন ভবিষ্যতে নিরাপদ জীবন গড়তে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS) – সংবাদ সংস্থা (বাসস)









