তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম-বর্ণের নামে কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। ধর্ম বিশ্বাস ও ধর্ম চর্চাকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত বা সুবিধার পকেটে নেওয়ার চেষ্টা থামাতে তিনি স্পষ্ট অবস্থান নেন।
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার

বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ধর্ম যার যার এবং রাষ্ট্র সবার। তাই ধর্ম নিয়ে কারও লেনদেন বা প্রভাব তৈরির সুযোগ তৈরি করা যাবে না।
ধর্মকে পুঁজি করলে চিহ্নিত করা হবে
তিনি আরও জানান, যখনই কোনো মহল ধর্ম বিশ্বাসকে বা ধর্ম চর্চাকে সাম্প্রদায়িক ফাঁদে ফেলে একটি পক্ষকে ঘিরে নেওয়ার চেষ্টা করবে, তখনই সেই ধর্মব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করা হবে। একই সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মানুষ—তাদেরও ভূমিকা থাকবে প্রতিরোধে।
সম্প্রীতি রক্ষার বার্তা
সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল সুর ছিল—দেশে যেন ধর্ম-বর্ণ বিবেচনায় কোনো ষড়যন্ত্র বা বিভাজন এগোতে না পারে। বরিশালের এই অনুষ্ঠানে তিনি সাম্প্রদায়িক অপপ্রয়াস প্রতিহত করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানান।
উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতারা
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মানিক লাল মূখার্জী। অতিথি হিসেবে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, এবং সাদা মনের মানুষখ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে সহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও এই ধরনের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ—কারণ ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হলে সমাজে অস্থিরতা বাড়ে, যা কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।
প্রশ্নোত্তর
তথ্যমন্ত্রী কোথায় বক্তব্য দেন?
বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে।
তিনি কী বিষয়ে সতর্ক করেন?
ধর্ম বিশ্বাস ও ধর্ম চর্চাকে পুঁজি করে কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে সেটি প্রতিহত করার বিষয়ে।
বক্তব্যের কেন্দ্রীয় বার্তা কী ছিল?
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এ নীতিতে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









