গালাগালি কিংবা হামলার মতো উত্তেজনামূলক রাজনীতি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নকে ঠেলে দিচ্ছে ব্যর্থতার দিকে—এমন মন্তব্য করেছেন মঞ্জু। রাজনৈতিক আলোচনাকে এমন চর্চায় নিয়ে গেলে দেশের অগ্রযাত্রাই থমকে যাবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। প্রবাসীদের জন্যও বিষয়টি জরুরি, কারণ শান্তি-স্থিতি ও নিরাপত্তা ঠিক থাকলেই দেশে বিনিয়োগ, চাকরির সুযোগ ও স্বাভাবিক জীবন গতি পায়।
রাজনীতিতে সহিংসতার পথে না যাওয়ার আহ্বান

মঞ্জু মনে করেন, গালাগালি-হামলার চর্চা সমাজে বিভাজন বাড়ায় এবং মানুষের মধ্যে আস্থার ঘাটতি তৈরি করে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন মানবিক সীমার মধ্যে থাকে—সেই দিকেই জোর দেন তিনি।
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন টিকবে কীভাবে
নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়নে দরকার সুস্থ আলোচনা ও যুক্তিভিত্তিক অবস্থান। সহিংসতা ও উসকানিমূলক আচরণ সেই পথকে বাধাগ্রস্ত করে বলেই বক্তব্যটি দাঁড় করিয়েছেন মঞ্জু। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মানুষকে ভয় নয়, আশা দিতে হবে।
প্রবাসীদের বাস্তব লাভ: স্থিতি থাকলে সুযোগ বাড়ে
বাংলাদেশে পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক কর্মধারা স্থিতিশীল থাকাটা প্রবাসীদের দৈনন্দিন চিন্তার অংশ। উত্তেজনা কমে গেলে রেমিট্যান্স-নির্ভর পরিবারগুলোর স্বস্তি বাড়ে, ব্যবসার পরিবেশও তুলনামূলক ভালো থাকে।
ভবিষ্যৎ ভাবনায় নৈতিক রাজনীতির গুরুত্ব
তার বক্তব্যের মূল সুর ছিল—রাজনীতিতে ভাষা ও আচরণ বদলাতে হবে। গালাগালি ও হামলার রাজনীতি গ্রহণযোগ্য না হলে রাজনৈতিক সংস্কৃতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রশ্ন-উত্তর
মঞ্জু কী নিয়ে উদ্বেগ জানালেন? তিনি গালাগালি ও হামলার রাজনীতি নিয়ে সতর্ক করেছেন।
তিনি কেন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে কথা বললেন? সহিংস চর্চা থাকলে লক্ষ্য বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
প্রবাসীদের জন্য এর প্রভাব কী? শান্তি-স্থিতি থাকলে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুযোগ—দুটোই তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: dhakapost.com









