মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে এগিয়ে থেকে আবদুল এল-সাইয়েদ জয় পেতে যাচ্ছেন। প্রাথমিক ফলে তিনি মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাট নেতা হ্যালি স্টিভেন্সকে পরাজিত করেছেন—ফলে নভেম্বরে বড় লড়াইটা তারই দিকে তাকিয়ে।
প্রাথমিক ফলে স্টিভেন্সের ওপর এগিয়ে এল-সাইয়েদ

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, চারবারের কংগ্রেস সদস্য ও মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাট নেতা হ্যালি স্টিভেন্সকে হারিয়ে আবদুল এল-সাইয়েদ এগিয়ে রয়েছেন। এ বিজয় নিশ্চিত হলে নভেম্বরে তিনি সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন।
ইতিহাস ছুঁতে পারেন—যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার সম্ভাবনা
এল-সাইয়েদ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনি প্রথম মুসলিম সিনেটর হতে পারেন—এমনটাই বলা হচ্ছে। মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে রাজনীতিতে তার অবস্থান নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সমর্থকদের উদ্দেশে এল-সাইয়েদের প্রতিশ্রুতি
জয়ের পূর্বাভাসের পর সমর্থকদের উদ্দেশে এল-সাইয়েদ বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য নিশ্চিত করা, রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব কমানো এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবেন। তিনি আরও বলেন, যারা তাকে ভোট দিয়েছেন বা দেননি—সবাইকে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করা হবে।
এল-সাইয়েদ জানান, ২০২৪ সালের নির্বাচনে কমলা হ্যারিস বা ডোনাল্ড ট্রাম্প—যাকেই ভোট দিয়ে থাকুন, তিনি সবার জন্য কাজ করবেন। প্রবাসী ভোটারদের জন্যও এ বার্তা স্পষ্ট: রাজনৈতিক পরিচয় নয়, নাগরিক সুবিধা-আস্থা—এই ভাবেই তিনি কথা বলছেন।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ও দুই পক্ষের অবস্থানের পার্থক্য
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ফলাফলকে রিপাবলিকান পার্টির জন্য ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, ডেমোক্র্যাটদের নীতির কারণে রিপাবলিকানদের জয়ের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে।
প্রচারণার সময় এল-সাইয়েদ সবার জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা চালু, অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (আইসিই) বিলুপ্তি এবং ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা বন্ধের পক্ষে কথা বলেন। বিপরীতে হ্যালি স্টিভেন্স মিশিগানে শিল্প ও উৎপাদন খাতের কর্মসংস্থান রক্ষা এবং ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের এই ধাপটি প্রবাসী জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে—ভিসা, অভিবাসন নীতি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়গুলো ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার অংশ। সিনেটে কে বসবেন, তা ঠিক হলে রাজনৈতিক অগ্রাধিকারও বদলাতে পারে।
সংক্ষেপে জিজ্ঞাসা
প্রাইমারি ফলাফলে কে এগিয়ে? আবদুল এল-সাইয়েদ।
তিনি নভেম্বরে কাকে মোকাবিলা করবেন? রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে।
এল-সাইয়েদের বড় অঙ্গীকার কী? সবার জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা, রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব কমানো এবং জীবনমান উন্নয়নের কাজ।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









