বাংলাদেশ ফুটবল লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ফিফার যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে। বকেয়া টাকা পরিশোধ করায় তাদের ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ একযোগে তুলে নিয়েছে ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা। এর ফলে ঘরোয়া ফুটবলের চলতি দলবদলে অংশ নিতে ক্লাবটির আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
বিদেশি কোচ ও খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন না দেওয়ায় বসুন্ধরা কিংসের ওপর ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা বেড়েছিল। একপর্যায়ে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল মোট ১৪টিতে। তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ অর্থ পরিশোধ শুরু করলে এই সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। বাংলাদেশ সময় আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত কিংসের ওপর চারটি নিষেধাজ্ঞা বাকি ছিল। কিন্তু রাতে ফিফার ওয়েবসাইটে অবশিষ্ট সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়।
কিংস ও ঢাকা আবাহনীর বকেয়া জটিলতার কারণে ঘরোয়া ফুটবলের দলবদল কয়েক দফায় পেছাতে হয়েছিল। আবাহনী প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তাদের বকেয়া মিটিয়ে ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়। এরপর তারা নিয়মিত নিয়মে দলবদল সম্পন্ন করে। অন্যদিকে বসুন্ধরা কিংসও শেষ মুহূর্তের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করে দলবদলের সময়সীমায় নিজেদের মুক্ত করতে সক্ষম হলো।
বসুন্ধরা কিংস মুক্ত হলেও ফিফার ‘রেজিস্ট্রেশন ব্যান’ তালিকায় এখনও বাংলাদেশের অন্য কয়েকটি ক্লাবের নাম রয়ে গেছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার তালিকায় এখন বাংলাদেশের মোট চারটি ফাইল ঝুলে রয়েছে। এর মধ্যে দুটি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ওপর। এছাড়া ফেনী সকার ক্লাব এবং ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের নামে একটি করে ফাইল রয়েছে।
ফকিরেরপুলের ওপর আগে দুটি নিষেধাজ্ঞা ছিল। আজ সেখান থেকে একটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাকি থাকা অন্য নিষেধাজ্ঞাটি উঠে গেলে দলটি ক্লাব লাইসেন্স নিতে পারবে। সব ঠিক থাকলে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলবদলে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।









