লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৯০ রানে অলআউট হয়েছে ইংল্যান্ড। একপর্যায়ে ২৪৩ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে চাপে থাকা স্বাগতিকদের শেষ উইকেটের জুটিই ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়। গাস আটকিনসন ও জশ টাং মিলে যোগ করেন গুরুত্বপূর্ণ ৪৭ রান।
প্রথম দিন শেষে ৯ উইকেটে ২৪৮ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার আটকিনসন ও টাং আবার ব্যাটিংয়ে নামেন।
শেষ উইকেটে দুজনের প্রতিরোধে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ আড়াইশ পেরিয়ে যায়। আলী উসমানের বলে আউট হওয়ার আগে ১০৫ বলে ৪৫ রান করেন আটকিনসন। অন্য প্রান্তে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন জশ টাং। এটিই তার ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস।
এর আগে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। নতুন বল হাতে শুরু থেকেই দাপট দেখান মোহাম্মদ আব্বাস। মাত্র ২৬ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন তিনি।
এলিলিও গে ৮ রান এবং বেন ডাকেট ১৭ রান করে আব্বাসের শিকার হন। এরপর ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুটও দ্রুত ফিরে যান। ১৩ বলে ৪ রান করে আব্বাসের বলেই আউট হন তিনি।
তিন উইকেট হারানোর পর জর্ডান কক্স ও হ্যারি ব্রুক জুটি গড়ে ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। তবে ১৭ রান করে মোহাম্মদ আলীর বলে বোল্ড হন ব্রুক। একই রানে থামে ড্যান লরেন্সের ইনিংস।
এরপর ইংল্যান্ডের হয়ে প্রতিরোধ গড়েন জর্ডান কক্স। অর্ধশতক পূর্ণ করলেও ১০৫ বলে ৫৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জেমি স্মিথ। ৮০ বলে ৬১ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার। জোফরা আর্চার করেন ১৪ রান। ওলে রবিনসন কোনো রান না করেই আউট হন।
পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। তিনি ৪টি উইকেট নেন। মোহাম্মদ আলীর শিকার ৩ উইকেট। খুররাম শেহজাদ ও আলী উসমান নেন একটি করে উইকেট।
ইংল্যান্ডকে ২৯০ রানে অলআউট করার পর ব্যাটিংয়ে নেমেছে পাকিস্তান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেটে ৮১ রান করেছে সফরকারীরা। ফলে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনও ২০৯ রান পিছিয়ে পাকিস্তান।







