ভূমিমন্ত্রী বলেছেন, মায়েদের মতোই স্কুলই মানুষের পথ দেখায়। তাঁর মতে, শৈশব-কৈশরে শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দায়িত্ব শেখার হাতেখড়ি এখানেই হয়।
স্কুলকে ‘পথপ্রদর্শক’ হিসেবে দেখলেন ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী এমন এক তুলনা টেনেছেন, যেখানে স্কুলকে পরিবারের যত্নের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মানুষ ধীরে ধীরে জীবনের দিশা পায়।
মায়ের শিক্ষা, স্কুলের শিক্ষার মিল
তিনি বলেন, মা যেমন সন্তানকে সঠিক পথে চলতে শেখান, তেমনি স্কুলও গড়ে তোলে চিন্তা ও আচরণের ধরন। মূল্যবোধ তৈরিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেই উল্লেখ করেন।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দায়ও গুরুত্ব পায়
বক্তব্যে স্কুলকে কেন্দ্র করে দায়িত্ববোধের কথাও এসেছে। শিক্ষার্থীদের মনন ও মনোভাব তৈরিতে শিক্ষকদের ভূমিকার প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। এতে করে স্কুল-পরিবেশকে আরও ইতিবাচকভাবে দেখার বার্তা মিলেছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বার্তাটা কী
প্রবাসী পরিবারগুলোর কাছে এই ধরনের বক্তব্যের অর্থ আলাদা। দেশে থাকা সন্তানদের পড়াশোনা, আদব-কায়দা আর ভবিষ্যৎ গড়ার ভিত্তি তৈরিতে স্কুলের ভূমিকা যে কতটা তা আবারও মনে করিয়ে দেয়।
শেষ কথা
ভূমিমন্ত্রীর বক্তব্যে মূল সুরটা পরিষ্কার—শিক্ষা শুধু পরীক্ষার প্রস্তুতি নয়, জীবনের পথও। মায়ের পরে স্কুলই যেন সেই দিশা দেয়—এমন বার্তা দিয়েছেন তিনি।
প্রশ্নোত্তর
১) ভূমিমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রধান বার্তা কী?
তিনি বলেছেন, মায়ের মতো স্কুলই মানুষের পথ দেখায়।
২) স্কুলের ভূমিকা হিসেবে তিনি কীকে গুরুত্ব দিয়েছেন?
শুধু পড়াশোনা নয়, মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ তৈরির কথাও বলেছেন।
৩) প্রবাসী পরিবারের ক্ষেত্রে কথাটার প্রভাব কী?
দেশে সন্তানদের শিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখার তাগিদ দেয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









