পদত্যাগ দাবিতে প্রধান সড়কে অবস্থান

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার সরকারি খাদ্যগুদামের সামনের প্রধান সড়কে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’–এর ব্যানারে এ কর্মসূচি হয়।
স্লোগানে মুখর দুই পাশে
কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ অংশ নেন। প্রধান সড়কের উভয় পাশে অবস্থান নিয়ে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় কিছু সময়ের জন্য শ্যামনগর–মুন্সিগঞ্জ সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
ব্যক্তিগত আচরণ ও নৈতিক দায় প্রসঙ্গ
কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দারা বক্তব্য দেন। বক্তারা জানান, জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত আচরণ এবং নৈতিক অবস্থান জনগণের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও নিয়ে জনমনে সমালোচনা তৈরি হওয়ার পর আন্দোলন অব্যাহত আছে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।
বক্তাদের মধ্যে একজন আবদুল মজিদ বলেন, বিষয়টির নৈতিক দায় স্বীকার করে সংসদ সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। অন্য বক্তারা বলেন, জনগণের আস্থা ও জনপ্রতিনিধিত্বের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দরকার।
দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি
বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দাবি পূরণ না হলে শুধু শ্যামনগর নয়, সাতক্ষীরা অচল করে দেওয়ার মতো কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি গাজী নজরুল ইসলামের বাড়ি ঘেরাও করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে শ্যামনগরে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে—পদত্যাগ না করলে তাঁকে শ্যামনগরে ঢুকতে না দেওয়ার কথাও বলা হয়।
ঘটনা ঘিরে টানাপোড়েনের ধারাবাহিকতা
দাবির আন্দোলনের পটভূমিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। ভিডিওতে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। তবুও বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলার মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









