২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে বদলে গেছে ফল জানার এসএমএস পদ্ধতি। এবার মোবাইল ফোনে ফল জানতে আগের ১৬২২২ নম্বরের পরিবর্তে ১৬১৪০ নম্বরে বার্তা পাঠাতে হবে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
এর মধ্য দিয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত হয়। পরে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও শেষ করা হয়।
ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
অনলাইনে যেভাবে এইচএসসির ফল দেখবেন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ফলাফলের শিট সংগ্রহ করতে হবে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে। এ জন্য নিচের ওয়েবসাইটগুলোর Result বিভাগে প্রবেশ করতে হবে।
এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ফলাফলের শিট ডাউনলোড করা যাবে। পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
পরীক্ষার্থীরাও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডগুলোর অভিন্ন ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ব্যক্তিগত ফলাফল দেখা যাবে।
মোবাইল SMS-এ ফল জানার নতুন নিয়ম
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল জানতে এসএমএস পাঠানোর নম্বরে পরিবর্তন এনেছে শিক্ষা বোর্ড। আগের বছরগুলোতে ১৬২২২ নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে ফল জানা যেত। তবে এবার নতুন নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬১৪০।
যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে।
SMS পাঠানোর নিয়ম:
বার্তার ঘরে লিখতে হবে:
HSC DHA 123456 2026
এখানে DHA-এর জায়গায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি ইংরেজি অক্ষর এবং 123456-এর জায়গায় নিজের রোল নম্বর বসাতে হবে।
এরপর বার্তাটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।
১ নভেম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।
আবেদনপ্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিস থেকে ফলাফলের কোনো কপি সংগ্রহ করা যাবে না বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।









