GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / ইরান ইউরোপ লক্ষ্য, সমুদ্রের ফাইবার ক্যাবল ঝুঁকি

ইরান ইউরোপ লক্ষ্য, সমুদ্রের ফাইবার ক্যাবল ঝুঁকি

হরমুজ প্রণালিতে পানির নিচের ফাইবার-ক্যাবল ও ইউরোপের সামরিক অবকাঠামোর প্রতীকী চিত্র

ট্রাম্পের হামলার হুমকি বাস্তবায়ন হলে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধের হাত ইউরোপ পর্যন্ত যেতে পারে—এমন আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে। শুধু সামরিক ঘাঁটিই নয়, সমুদ্রপথের যোগাযোগের পানির নিচের ফাইবার-ক্যাবলও ক্ষতিগ্রস্ত করার কথা বিবেচনায় আছে।

ইরানের চিন্তায় মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে ইউরোপ

হরমুজ প্রণালিতে পানির নিচের ফাইবার-ক্যাবল ও ইউরোপের সামরিক অবকাঠামোর প্রতীকী চিত্র

ইরান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার নানা বিকল্প ভাবছে বলে জানিয়েছে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোয় হামলার পদক্ষেপ নেয়, তেহরান সেটির ‘যেকোনো মূল্যে’ জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে লক্ষ্যভিত্তিক পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপেও হতে পারে।

সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে বুলগেরিয়া ও সাইপ্রাস

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিবেচনায় থাকা দেশের তালিকায় বুলগেরিয়াও আছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—সম্প্রতি বুলগেরিয়া তাদের বেজম বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে অনুমতি দিয়েছিল, যা মার্কিন জ্বালানি সরবরাহ বা রিফুয়েলিং সংশ্লিষ্ট কাজে সহায়ক হতে পারে।

আরেকটি সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে সাইপ্রাসের কথাও উঠে এসেছে। সাইপ্রাসে আগে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনাকে ভিত্তি ধরে ভবিষ্যতে নতুন কোনো হামলা হলে সাইপ্রাস লক্ষ্য হতে পারে—এমন ইঙ্গিত সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে।

হরমুজে পানির নিচের ফাইবার-ক্যাবল নিয়েও ভাবনা

পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গেলে হরমুজ প্রণালিতে থাকা পানির নিচের ফাইবার-অপটিক যোগাযোগের কেবল লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন কথাও এসেছে প্রতিবেদনে। যোগাযোগ খাতের ওপর হামলার সম্ভাবনাও আলাদাভাবে পর্যালোচনা করেছে ইরানি বাহিনী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কথাবার্তা থমকে থাকায় ঝুঁকি বাড়ছে

হরমুজ প্রণালিতে ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনার অচলাবস্থা আরও গভীর হয়েছে। ট্রাম্প আগেই বলেছেন—তেহরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না এবং নির্ধারিতও নেই। তেহরানও আগের সতর্কতায় বলেছে, ইরানের ভূখণ্ডে হামলা করতে যে ঘাঁটি ব্যবহৃত হবে, সেটিই সম্ভাব্য লক্ষ্য হবে।

প্রবাসীদের জন্য এর মানে কী

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপের সামরিক স্থাপনা পর্যন্ত হামলার আশঙ্কা বাড়লে, ফ্লাইট রুট, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা—সবকিছুর প্রভাব প্রবাসীদের দৈনন্দিন জীবনেও পড়তে পারে। আবার হরমুজের মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে যোগাযোগব্যবস্থা অচল হলে লজিস্টিক ও ব্যবসায়িক চেইনেও ধাক্কা আসতে পারে।

প্রশ্ন-উত্তর

১) ইরান কেন ইউরোপকে লক্ষ্য হিসেবে ভাবতে পারে?
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলার পদক্ষেপ নেয়—তেহরান পাল্টা হামলার বিকল্প হিসেবে ইউরোপেও লক্ষ্য বিবেচনা করতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

২) হরমুজের ফাইবার-ক্যাবল বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এগুলো যোগাযোগব্যবস্থার অংশ; ক্ষতিগ্রস্ত হলে সমুদ্রপথে তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগে সমস্যা হতে পারে।

৩) আলোচনা বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি কি আরও বাড়তে পারে?
যখন আলোচনার পথ সংকুচিত থাকে, তখন ঝুঁকি বেড়ে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়—এই বাস্তবতাই প্রতিবেদনে প্রতিফলিত।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons