হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে—এ তথ্য প্রবাসী পরিবারের জন্যও সরাসরি সতর্কবার্তা। অসুস্থ শিশুকে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া না গেলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
আরও ৩ প্রাণহানি, মোট সংখ্যা বেড়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বার্তায় বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হামে মারা গেছে তিনজন। এতে হামের উপসর্গ–সংক্রান্ত মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬৩ জনে।
নতুন করে শনাক্ত নিশ্চিত হামের রোগী
একই সময়ে নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২০১ জনের। অর্থাৎ সংক্রমণ থামছে না—এ বাস্তবতা পরিবার পরিকল্পনা ও শিশুদের যত্নে আরও কড়াকড়ি আনার কথা বলে।
সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত বৃদ্ধি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে আরও বলা হয়, নতুন করে সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ১৭ জন। বৃহস্পতিবার-শুক্রবারের এই চিত্রে বোঝা যায়, রোগের প্রভাব চলমান এবং পর্যবেক্ষণ জরুরি।
হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থ হওয়ার হালচাল
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ১৬ হাজার ৮২২ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছে এক লাখ ১২ হাজার ৫২৫ জন। অর্থাৎ চিকিৎসা ও সঠিক সময়ে সহায়তা অনেক ক্ষেত্রে সুফল দিচ্ছে।
প্রবাসী পরিবার কী করবেন
আপনি যদি মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোথাও থাকেন, পরিবারের ছোটদের জন্য এখনই সচেতনতা বাড়ান। শিশুর জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া, শরীরে র্যাশের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন—এটাই সবচেয়ে বাস্তব নিরাপত্তা।
প্রশ্ন: নিশ্চিত আর সন্দেহজনক হাম—এ পার্থক্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: সন্দেহজনক হলে দ্রুত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হয়, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
প্রশ্ন: পরিবারকে কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে?
উত্তর: লক্ষণ দেখা মাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং শিশুকে জনসমাগম এড়িয়ে নিরাপদে রাখুন।
প্রশ্ন: চিকিৎসা নিয়ে আশার কথা আছে কি?
উত্তর: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী অনেক রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়ছে। তাই দ্রুত পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









