বাংলাদেশ গঠনে স্কিল আইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন বার্তা দিলেন ডেপুটি স্পিকার। দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিভিত্তিক সক্ষমতার দিকে জোর দেওয়াই এই বক্তব্যের মূল ইঙ্গিত।
ডেপুটি স্পিকারের বক্তব্যে দক্ষতার গুরুত্ব

তিনি বলেন, দক্ষতার জায়গায় দাঁড়িয়ে স্কিল আইটি ভবিষ্যৎ নির্মাণে কাজে লাগবে। লক্ষ্য ছিল—শুধু তথ্য জানলেই হবে না, প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তব সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
প্রযুক্তি ও দক্ষতা—রাষ্ট্র গড়ার ভিত
বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার পথ হিসেবে প্রযুক্তিনির্ভর কাজের কথা উঠে আসে। স্কিল আইটি মানে কার্যকর শেখা, প্রশিক্ষণ, এবং কাজের উপযোগী দক্ষতা—যাতে মানুষের সামর্থ্য থেকে অর্থনীতি শক্ত হয়।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য বার্তাটা কেন জরুরি
মধ্যপ্রাচ্যসহ দেশের বাইরে থাকা অনেকেই কাজের বাজারে টিকে থাকতে দক্ষতার ওপর নির্ভর করেন। ডেপুটি স্পিকারের এই বক্তব্য প্রবাসীদের কাছেও ইঙ্গিত দেয়—ভাষা বা অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্কিল আপগ্রেডই ভবিষ্যতের সুরক্ষা।
কর্মসংস্থান ও সম্ভাবনা বাড়ানোর ভাবনা
স্কিল আইটি কেন্দ্র করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠলে কর্মসংস্থানের সুযোগও বিস্তৃত হতে পারে। ফলে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া—নীতি পর্যায় থেকে বাস্তবে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনও সামনে আসে।
প্রসঙ্গত, দক্ষতা উন্নয়নের এই ধরনের বার্তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষের কাজের দিকনির্দেশ হিসেবেও কাজ করতে পারে।
প্রশ্নোত্তর
ডেপুটি স্পিকার ঠিক কী বলেছেন?
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ গঠনে স্কিল আইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্কিল আইটি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রযুক্তিনির্ভর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বাস্তব দক্ষতা গড়ে তোলার ধারণা।
প্রবাসীদের জন্য এর প্রভাব কী?
দক্ষতা বাড়ানো গেলে কাজের সুযোগ ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা—দু’দিকই শক্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









