টেকসই নগর গঠনের লক্ষ্য বাস্তব করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী। নাগরিক দায়িত্ব, সচেতনতা ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ—এই তিন দিকেই জোর দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, টেকসই নগর নির্মাণ শুধু সরকারের কাজ নয়। নগরের মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ নগর মানে দৈনন্দিন জীবনের কেন্দ্র—যেখানে বাতাস, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্য সরাসরি প্রভাব ফেলে।
নাগরিক দায়িত্বই মূল চাবিকাঠি
নগরে টেকসই উন্নয়ন টিকে থাকে আচরণ বদলের মাধ্যমে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, পরিবেশবান্ধব অভ্যাস এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহার—এসবকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাই উঠে এসেছে। প্রবাসী পরিবারের সদস্যরাও দেশে পাঠানো অর্থ, সচেতনতা ও উদ্যোগের মাধ্যমে এই পরিবর্তনের অংশ হতে পারেন।
পরিকল্পিত উদ্যোগ দরকার
প্রসঙ্গত, টেকসই নগর গঠনে পরিকল্পনার পাশাপাশি বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো দরকার। নগর উন্নয়নে পরিবেশঝুঁকি কমানো, বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা—এসব কাজের সঙ্গে সবাইকে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
প্রবাসীদের জন্যও বার্তা
বাংলাদেশের শহরগুলোতে ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এখনকার সিদ্ধান্তের ওপর। প্রবাসীরা নিয়মিত দেশে পরিবারের খোঁজ নেন, নানা সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত থাকেন। পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া, স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগকে সমর্থন করা—এগুলোও টেকসই নগরের পথে বাস্তব অবদান।
সংক্ষেপে কী বোঝা গেল
টেকসই নগর গঠনে সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক অংশগ্রহণকেই মূল শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবেশসচেতনতা ও পরিকল্পিত কাজ—দুইটিই সমান জরুরি।
প্রশ্ন: টেকসই নগর মানে আসলে কী?
উত্তর: শহরের এমন উন্নয়ন, যেখানে পরিবেশঝুঁকি কমিয়ে মানুষের বসবাস সহজ ও নিরাপদ হয়।
প্রশ্ন: নাগরিকরা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন?
উত্তর: বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব আচরণের মাধ্যমে।
প্রশ্ন: প্রবাসীরা এতে কী অবদান রাখতে পারেন?
উত্তর: দেশে সচেতনতা তৈরি, স্থানীয় উদ্যোগে সমর্থন এবং পরিবারের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব চর্চা ছড়িয়ে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)









