সিলেটে চায়ের দোকানে বসে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র দেখার ঘটনায় পরীক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ—পরীক্ষার শুচিতা রক্ষায় কতটা কড়া নজরদারি হচ্ছে, সেটাই স্পষ্ট হয়।
চায়ের দোকানেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ধরা পড়েন পরীক্ষক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক-সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে শনিবার রাতে এক পরীক্ষককে হাতেনাতে আটক করেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। অভিযোগ ছিল, তিনি বন্ধুদের উপস্থিতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শিক্ষা বোর্ডের শোকজ, তদন্ত কমিটি গঠন
ঘটনার পর সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড অভিযুক্ত পরীক্ষককে শোকজ দিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কলেজ থেকে অব্যাহতি, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর কলেজ কর্তৃপক্ষও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়। মেট্রো সিটি উইমেন্স কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে ওই শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। চায়ের দোকানে খাতা দেখার বিষয়টি জানার পর কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভা হয়, সেখানেই তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি বোর্ডকে জানানো হয়েছে
কলেজ কর্তৃপক্ষের অব্যাহতির সিদ্ধান্তের চিঠি ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন কথাও উঠে এসেছে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে।
যে প্রশ্নগুলো সামনে
- তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী আর কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আসতে পারে?
- পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের জায়গা ও পদ্ধতি নিয়ে নির্দেশনা কি আরও কড়াকড়ি হবে?
- প্রবাসী পরিবারের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলে এই ঘটনা কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে?
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









