ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
ঘাটতি কমাতে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, দেশভিত্তিক পদক্ষেপের বদলে সামগ্রিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো দরকার।
সরকার কয়েকটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত চিহ্নিত করেছে।
এর মধ্যে রয়েছে চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং।
সেমিকন্ডাক্টর খাতকেও সম্ভাবনাময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এসব খাতে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নীতি সহায়তার মাধ্যমে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি গত অর্থবছরে আরও বেড়েছে।
দুই দেশের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ভারত থেকে বেশি পণ্য আমদানি করে।
ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার।
ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাংলাদেশের দিক থেকেও গত দুই বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করেছে।
প্রতিনিধিদলটি অবকাঠামো উন্নয়নে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
বাংলাদেশ এই প্রস্তাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এদিকে ই-কমার্স খাত নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
ই-কমার্স ও ডিজিটাল ট্রেডের জন্য জাতীয় কর্তৃপক্ষ গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।
এই কর্তৃপক্ষ গঠিত হলে ই-কমার্স খাতে নিয়ন্ত্রণ বাড়বে বলে জানান তিনি।


