বাসের ভাড়া দেওয়ার সময় কোমরে বিপুল পরিমাণ টাকা দেখতে পেয়ে ইসমাইল হোসেন নামে এক যাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার।
হত্যার পর মরদেহটি মুখের স্কচটেপ পেঁচিয়ে রাজধানীর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে ফেলে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গত শুক্রবার জামালপুর থেকে ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসে ওঠার পর চালক ও তার সহকারীরা সব যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ইসমাইলকে আটকে রেখে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মহাখালী থেকে বাসটি জব্দ করার পাশাপাশি সুপারভাইজার সাজু, হেলপার মনির এবং পরবর্তীতে চালক সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
অন্যদিকে, গত ৩০ আগস্ট রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্বর্ণ বিক্রির নামে ডেকে এনে এক ব্যবসায়ীর ৩৮ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় আরও ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ধানমন্ডি ৮ নম্বর সড়কের ডিঙ্গি রেস্তোরাঁর সামনে থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে জিম্মি করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার সঙ্গে এই সংঘবদ্ধ চক্রটি জড়িত ছিল।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত তিন সদস্যসহ মোট ৯ জন রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ধানমন্ডি থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত এই ডাকাত চক্রের অধিকাংশ সদস্যই দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত।
ইসমাইল হোসেন হত্যা মামলায় বাস থেকে লুটে নেওয়া নগদ টাকা উদ্ধারে অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে বনানী থানা পুলিশ।
রাজধানীর পৃথক দুটি চাঞ্চল্যকর অপরাধমূলক ঘটনার আসামিদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা দায়ের ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

