GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / সারাদেশ / ইসলাম ও মাদ্রাসা নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তিপূর্ণ পোস্টের অভিযোগে শিক্ষক আটক

ইসলাম ও মাদ্রাসা নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তিপূর্ণ পোস্টের অভিযোগে শিক্ষক আটক

নারায়ণ চন্দ্র চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের মৃত অবিনাশ চন্দ্রের ছেলে। তিনি ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নারায়ণ চন্দ্র তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে ইসলাম ধর্ম ও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্যসংবলিত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে বুধবার সকালে তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষকের খোঁজ করেন। পরে নারায়ণ চন্দ্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা তাকে সেখানে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ওই ফটোকার্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হয়। এতে মাদ্রাসাকে নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর বক্তব্য ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ফটোকার্ডটির নিচে ‘মহিউদ্দিন মোহাম্মদ’ নামে একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবিয়া খাতুন বলেন, এর আগেও নারায়ণ চন্দ্র ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট করেছিলেন। স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে এ ধরনের পোস্ট না করার জন্য বলা হয়েছিল। এরপরও তিনি মঙ্গলবার আবার পোস্ট করেছেন। স্থানীয়রা তাকে অবরুদ্ধ করলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।

তিনি জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে নারায়ণ চন্দ্র ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

রাজশাহীর চারঘাটে ইসলাম ধর্ম ও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে নারায়ণ চন্দ্র (৫০) নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়।

নারায়ণ চন্দ্র চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের মৃত অবিনাশ চন্দ্রের ছেলে। তিনি ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নারায়ণ চন্দ্র তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে ইসলাম ধর্ম ও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্যসংবলিত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে বুধবার সকালে তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষকের খোঁজ করেন। পরে নারায়ণ চন্দ্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা তাকে সেখানে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ওই ফটোকার্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হয়। এতে মাদ্রাসাকে নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর বক্তব্য ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ফটোকার্ডটির নিচে ‘মহিউদ্দিন মোহাম্মদ’ নামে একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবিয়া খাতুন বলেন, এর আগেও নারায়ণ চন্দ্র ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট করেছিলেন। স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে এ ধরনের পোস্ট না করার জন্য বলা হয়েছিল। এরপরও তিনি মঙ্গলবার আবার পোস্ট করেছেন। স্থানীয়রা তাকে অবরুদ্ধ করলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।

তিনি জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে নারায়ণ চন্দ্র ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Social Icons