GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২৬: অনলাইন আবেদন থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২৬: অনলাইন আবেদন থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত

বাংলাদেশে নতুন পাসপোর্ট করতে চাইলে এখন ঘরে বসেই অনলাইনে ই-পাসপোর্টের আবেদন করা যায়। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ, নির্ধারিত ফি জমা, পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান এবং প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হয়।

অনেকেই জানতে চান, ই পাসপোর্ট করার নিয়ম কী, অনলাইনে কীভাবে আবেদন করতে হয়, কী কী কাগজপত্র লাগে, ফি কত এবং কত দিনে পাসপোর্ট পাওয়া যায়? এই গাইডে ২০২৬ সালের সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো।
ই-পাসপোর্ট কী?
ই-পাসপোর্ট বা ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট হলো এমন একটি পাসপোর্ট, যাতে একটি ইলেকট্রনিক চিপ থাকে। এই চিপে পাসপোর্টধারীর পরিচয় ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় পরিচয় যাচাই ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হয়।

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের আবেদন করা যায় সরকারি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে।

সরকারি আবেদন ওয়েবসাইট: বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট অনলাইন পোর্টাল।
ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২৬: ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া
ই-পাসপোর্ট করতে সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।
১. ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
প্রথমে epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এরপর অনলাইন আবেদনের অপশন নির্বাচন করে আপনার ইমেইল ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করুন।
২. ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন
অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের সময় নিজের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সঙ্গে মিলিয়ে লিখুন।

সাধারণত যেসব তথ্য দিতে হয়:
– আবেদনকারীর নাম ও জন্মতারিখ
– পিতা ও মাতার নাম
– বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
– পেশা ও বৈবাহিক অবস্থা
– জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য
– পাসপোর্টের ধরন, পৃষ্ঠা ও মেয়াদ
– জরুরি যোগাযোগের তথ্য
নাম, জন্মতারিখ ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যে ভুল থাকলে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ফরম জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।
৩. পাসপোর্ট অফিস ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন করুন
আবেদন করার সময় নিজের ঠিকানা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন করতে হবে। এরপর পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করুন।

আবেদনের শেষ পর্যায়ে সুযোগ থাকলে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় নির্বাচন করুন।
৪. নির্ধারিত পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করুন
আবেদন ফরম পূরণ করার পর নির্বাচিত পাসপোর্টের ধরন অনুযায়ী ফি জমা দিতে হবে। অনলাইনে অথবা নির্ধারিত ব্যাংকের মাধ্যমে চালানের সাহায্যে ফি পরিশোধ করা যায়।

ফি জমা দেওয়ার পর পেমেন্ট রসিদ সংরক্ষণ করুন। আবেদন ও পেমেন্টের তথ্য পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন হতে পারে।
৫. পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য দিন
নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এ সময় সাধারণত:
– ডিজিটাল ছবি তোলা হয়।
– আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়।
– চোখের আইরিস স্ক্যান করা হয়।
– ডিজিটাল স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
– প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়।
ই-পাসপোর্টের জন্য সাধারণত আলাদা ছবি সংযুক্ত করতে হয় না। পাসপোর্ট অফিসেই ছবি তোলা হয়। তবে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম রয়েছে।
৬. আবেদন ও পাসপোর্টের অবস্থা যাচাই করুন
বায়োমেট্রিক কার্যক্রম শেষ হলে আবেদনটি পরবর্তী যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠানো হয়। সরকারি পোর্টালে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা দেখা যায়।

প্রয়োজনে পুলিশ ভেরিফিকেশন বা অতিরিক্ত তথ্য যাচাইয়ের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
৭. পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে সংগ্রহ করুন
পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। পাসপোর্ট নেওয়ার সময় আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া ডেলিভারি স্লিপ সঙ্গে রাখুন।

পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর নিজের নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বরসহ সব তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে নিন।
ই-পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
ই-পাসপোর্টের আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন। আবেদনকারীর বয়স, পরিচয়পত্র এবং আবেদনের ধরন অনুযায়ী কিছু কাগজপত্রের পার্থক্য হতে পারে।

সাধারণত যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয়:
1. অনলাইনে পূরণ করা আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি।
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) মূল কপি ও ফটোকপি।
3. অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের (ইংরেজি সংস্করণ) মূল কপি ও ফটোকপি।
4. পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার রসিদ।
5. আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটির মূল কপি ও ফটোকপি।
6. সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সরকারি আদেশ (GO) অথবা অনাপত্তিপত্র (NOC)।
7. প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য সহায়ক কাগজপত্র।
বয়স অনুযায়ী পরিচয়পত্রের নিয়ম:
– ১৮ বছরের কম বয়সী আবেদনকারীর নিজস্ব NID না থাকলে পিতা অথবা মাতার NID নম্বর দিতে হবে।
– আবেদনপত্রে NID অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী নাম ও জন্মতারিখ লিখতে হবে।
– পাসপোর্ট অফিসে সাধারণত আলাদা ছবি বা কাগজপত্র সত্যায়নের প্রয়োজন হয় না।
সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের নির্দেশনা ও ডকুমেন্ট চেকলিস্টে এসব নিয়ম উল্লেখ রয়েছে।
E-Passport+2

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের ফি কত ২০২৬?
ই-পাসপোর্টের খরচ নির্ভর করে পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরনের ওপর। বাংলাদেশে ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য ৫ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদের ফি নির্ধারিত রয়েছে।

সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে প্রকাশিত ফি তালিকা অনুযায়ী, ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ ফি নিচে দেওয়া হলো।
৪৮ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টের ফি
মেয়াদ ডেলিভারির ধরন ফি
৫ বছর রেগুলার ৪,০২৫ টাকা
৫ বছর এক্সপ্রেস ৬,৩২৫ টাকা
৫ বছর সুপার এক্সপ্রেস ৮,৬২৫ টাকা
১০ বছর রেগুলার ৫,৭৫০ টাকা
১০ বছর এক্সপ্রেস ৮,০৫০ টাকা
১০ বছর সুপার এক্সপ্রেস ১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টের ফি
মেয়াদ ডেলিভারির ধরন ফি
৫ বছর রেগুলার ৬,৩২৫ টাকা
৫ বছর এক্সপ্রেস ৮,৬২৫ টাকা
৫ বছর সুপার এক্সপ্রেস ১২,০৭৫ টাকা
১০ বছর রেগুলার ৮,০৫০ টাকা
১০ বছর এক্সপ্রেস ১০,৩৫০ টাকা
১০ বছর সুপার এক্সপ্রেস ১৩,৮০০ টাকা

সূত্র: বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট অনলাইন পোর্টালের ফি তালিকা। ফি ১৫% ভ্যাটসহ।
E-Passport

কোন পাসপোর্টটি বেছে নেবেন?
– নিয়মিত বিদেশ ভ্রমণ না করলে ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট বিবেচনা করতে পারেন।
– ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণ করলে ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট প্রয়োজন হতে পারে।
– দীর্ঘ মেয়াদের জন্য আবেদন করতে চাইলে বয়স ও যোগ্যতা অনুযায়ী ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট নির্বাচন করতে পারেন।
মনে রাখবেন, আবেদন করার সময় সরকারি ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত ফি ও যোগ্যতা যাচাই করে পেমেন্ট করবেন।
ই-পাসপোর্ট পেতে কত দিন লাগে?
ই-পাসপোর্টের ডেলিভারি সময় নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের সেবা নির্বাচন করছেন তার ওপর। সরকারি পোর্টালের প্রকাশিত সময়সীমা অনুযায়ী:
ডেলিভারির ধরন সময়সীমা
রেগুলার ১৫ কর্মদিবস
এক্সপ্রেস ৭ কর্মদিবস
সুপার এক্সপ্রেস ২ কর্মদিবস

সরকারি ফি নির্দেশনায় রেগুলার ডেলিভারির ক্ষেত্রে ১৫ কর্মদিবস বা ২১ দিন এবং এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে ৭ কর্মদিবস বা ১০ দিনের কথা উল্লেখ রয়েছে। সময় গণনা করা হয় বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ থেকে।
E-Passport+1

তবে তথ্য যাচাই, আবেদনসংক্রান্ত জটিলতা বা অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে পাসপোর্ট পেতে বেশি সময় লাগতে পারে। তাই ভ্রমণের তারিখের একেবারে কাছাকাছি সময়ে আবেদন না করাই ভালো।
ই-পাসপোর্টের ফি কীভাবে জমা দেবেন?
ই-পাসপোর্টের নির্ধারিত ফি অনলাইন ও অফলাইন দুইভাবেই পরিশোধ করা যায়।

অনলাইনে পেমেন্ট:

সরকারি পোর্টালে উল্লেখিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে ফি দেওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে:
– এ-চালান (A-Challan)
– DGePay
– ShurjoPay
– সমর্থিত ব্যাংক কার্ড ও মোবাইল আর্থিক সেবা
অফলাইনে পেমেন্ট:

সরকারি বা নির্ধারিত বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এ-চালান ব্যবহার করে ফি জমা দেওয়া যায়।

ফি জমা দেওয়ার পর পেমেন্ট স্লিপ বা রসিদ সংগ্রহ করুন। পাসপোর্ট অফিসে প্রয়োজন হলে এটি দেখাতে হবে।
E-Passport

ই-পাসপোর্ট আবেদনের স্ট্যাটাস কীভাবে চেক করবেন?
আবেদন জমা দেওয়ার পর পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা অনলাইনে যাচাই করতে পারবেন।

1. ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

2. আবেদনসংক্রান্ত স্ট্যাটাস চেক করার অপশন নির্বাচন করুন।

3. প্রয়োজনীয় আবেদনসংক্রান্ত তথ্য দিন।

4. সাবমিট করে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা দেখুন।

আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন, অনুমোদিত অথবা পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট স্ট্যাটাস থেকে জানতে পারবেন।
ই-পাসপোর্ট করার সময় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন
আবেদন করার সময় কিছু সাধারণ ভুলের কারণে পাসপোর্ট পেতে দেরি হতে পারে। তাই নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন:
– NID বা জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে মিল না রেখে নাম লিখবেন না।
– জন্মতারিখ ও বাবা-মায়ের নাম ভুল দেবেন না।
– বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।
– ভুল পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন করবেন না।
– পেমেন্ট রসিদ ও আবেদন ফরমের কপি হারিয়ে ফেলবেন না।
– দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির মাধ্যমে আবেদন করবেন না।
– আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।
ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. ই-পাসপোর্ট করতে কি সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয়?

আবেদন অনলাইনে করা যায়। তবে ছবি, আঙুলের ছাপ, আইরিস স্ক্যান ও স্বাক্ষরের মতো বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার জন্য নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হয়।

২. ই-পাসপোর্ট করতে কি পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে?

আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের নিয়ম সরকারি নির্দেশনা ও আবেদনকারীর পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

৩. ই-পাসপোর্ট করতে কি ছবি জমা দিতে হয়?

সাধারণত আলাদা ছবি জমা দিতে হয় না। পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের সময় ডিজিটাল ছবি তোলা হয়। তবে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম রয়েছে।
E-Passport

৪. ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি রেগুলার ই-পাসপোর্টের ফি ৪,০২৫ টাকা থেকে শুরু। পৃষ্ঠা, মেয়াদ ও ডেলিভারির ধরন অনুযায়ী ফি ১৩,৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

৫. ই-পাসপোর্ট পেতে কত দিন লাগে?

রেগুলার ডেলিভারিতে ১৫ কর্মদিবস, এক্সপ্রেসে ৭ কর্মদিবস এবং সুপার এক্সপ্রেসে ২ কর্মদিবসের সময়সীমা উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে সময় বেশি লাগতে পারে।

৬. ১৮ বছরের কম বয়সীরা কি ই-পাসপোর্ট করতে পারবে?

হ্যাঁ। অপ্রাপ্তবয়স্করাও ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে পারে। যাদের নিজস্ব NID নেই, তাদের ক্ষেত্রে পিতা অথবা মাতার NID নম্বর দিতে হয়।

৭. পাসপোর্টের আবেদন করার পর জরুরি ডেলিভারি নেওয়া যাবে?

আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকলে এবং পাসপোর্ট তৈরি না হয়ে থাকলে নির্দিষ্ট শর্তে অতিরিক্ত ফি দিয়ে এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য আবেদনকারীর স্ট্যাটাস যাচাই করে পাসপোর্ট অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
E-Passport

শেষ কথা
বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ। ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ, ফি জমা এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পর নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য দিলেই আবেদন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো সম্পন্ন হয়।

তবে আবেদন করার আগে নিজের NID বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য যাচাই করুন এবং সঠিক পাসপোর্ট ফি নির্বাচন করুন। সবশেষে সরকারি ওয়েবসাইটের নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন জমা দিন।

ই-পাসপোর্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি লিংক:
– ই-পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন
– আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনা
– ই-পাসপোর্টের সরকারি ফি
– ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর

Social Icons