জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারার একটি বাড়িতে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খান এ অভিযোগ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বৈঠকে গোলাম পরওয়ারের পাশাপাশি জামায়াত নেতা এ. টি. এম. মা’ছুমসহ মোট তিনজন অংশ নেন।
বারিধারায় বৈঠক নিয়ে অভিযোগ
রাশেদ খান তার স্ট্যাটাসে দাবি করেন, ১৬ অক্টোবর মাগরিবের পর বারিধারার একটি বাড়িতে ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াত নেতাদের বৈঠক হয়।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা নিয়মিত ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন, তারা কোন স্বার্থে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
রাশেদ খানের ভাষ্য, ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক এবং দেশটির উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক এক বিষয় নয়। এ দুই ধরনের বৈঠকের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গোলাম পরওয়ারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি
রাশেদ খান বলেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার নৈতিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী হলে বৈঠকের বিষয়টি প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করবেন বলে তিনি আশা করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, বৈঠক সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না পাওয়া গেলে জামায়াত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত—এমন ধারণা তৈরি হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতের আন্দোলনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেই
রাশেদ খানের বক্তব্যের ভিত্তিতেই ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগটি সামনে এসেছে। তবে বৈঠকের বিষয়ে জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার বা এ. টি. এম. মা’ছুমের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্যও প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
তাই বৈঠকের অভিযোগ ও এ নিয়ে উত্থাপিত রাজনৈতিক বক্তব্যকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দাবি হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।









