GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / নগর-মহানগর / তহশিলদার সোবাহানের বিরুদ্ধে ঘুসের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

তহশিলদার সোবাহানের বিরুদ্ধে ঘুসের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

তহশিলদার সোবাহানের বিরুদ্ধে ঘুসের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আবদুস সোবাহানের বিরুদ্ধে জমির নামজারি ও রেকর্ড সংশোধনের নামে ঘুস নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার ঘুস নেওয়ার একাধিক ভিডিও প্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছে যুগান্তর। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবদুস সোবাহান।

নামজারিতে ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ

ভুক্তভোগী মহিউদ্দিন খন্দকারের অভিযোগ, ২ একর ৪২ শতাংশ জমির চারটি দলিলের নামজারি করতে তহশিলদার আবদুস সোবাহান প্রথমে ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন।

পরে দরকষাকষির পর ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়। এর মধ্যে অগ্রিম ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দুই দফায় টাকা নেওয়া হলেও চারটি দলিলের পরিবর্তে দুটি দলিলের নামজারি করা হয়েছে।

তবে আবদুস সোবাহানের দাবি, নামজারি ও দাখিলা বাবদ তিনি সব মিলিয়ে ২ হাজার ৬৭০ টাকা নিয়েছেন। ঘুস লেনদেনের ভিডিও দেখানো হলেও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আগেও বড় অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ

এর আগেও আবদুস সোবাহানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আতিকুর রহমান খানের অভিযোগ, মৌকরণে দায়িত্ব পালনকালে ২৬ একর জমির বিএস রেকর্ড সংশোধন করে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা নেওয়ার পর যে কাগজ তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল, সেটি পরে জাল বলে প্রমাণিত হয়। টাকা ফেরত চাইলে উলটো তাদের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা করা হয়।

পুলিশের তদন্তে নগদ পাঁচ লাখ টাকা এবং ব্যাংকের মাধ্যমে সাড়ে ১২ লাখ টাকা নেওয়ার প্রমাণ পাওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মামলাটি আদালত খারিজ করেন।

অভিযোগ অস্বীকার সোবাহানের

আবদুস সোবাহান এসব অভিযোগও অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ওই অর্থ কোনো কাজের বিনিময়ে নেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি তার শ্বশুরবাড়ির দলিলসংক্রান্ত পারিবারিক লেনদেন।

অন্যদিকে, ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, জমির বিএস রেকর্ড সংশোধনের কথা বলে টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং পরে জাল পর্চা তৈরি করে দেওয়া হয়।

বর্তমানে দায়িত্বে নেই সোবাহান

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৮ মার্চ রাঙ্গাবালীতে যোগদানের পর আবদুস সোবাহানকে কোনো দায়িত্বে রাখা হয়নি। তার প্রশাসনিক আইডিও নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে।

রাঙ্গাবালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, সোবাহানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Social Icons