মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বড় পতন হয়েছে। এতে সরাসরি প্রভাব পড়ে জ্বালানি ব্যয়ের প্রত্যাশায়—প্রবাসীরা যে খরচের হিসাব করেন, সেখানেও এর ঢেউ লাগতে পারে।
ডব্লিউটিআইয়ে বড় পতন

সোমবার বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম সেপ্টেম্বরের জন্য ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমেছে।
ব্রেন্ট ক্রুডের দামও নেমেছে
একই দিনে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অক্টোবর মাসে ডেলিভারি দেওয়া হবে—এমনটাই বাজারদরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
টাকায় হিসাব: লিটারপ্রতি কত
আন্তর্জাতিক বেচাকেনায় প্রতি ব্যারেলে সাধারণত ১৫৮ দশমিক ৯৮ লিটার তেল ধরা হয়। পাশাপাশি মার্কিন ডলারের দাম ১২৩ টাকা ধরে গণনায় দেখা যাচ্ছে—
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার ৩৪৪ টাকা প্রতি ব্যারেল। ফলে লিটারপ্রতি পড়ে প্রায় ৬৫ টাকা।
অন্যদিকে ডব্লিউটিআই তেলের দাম পড়ে প্রায় ৯ হাজার ৯৪৯ টাকা প্রতি ব্যারেল এবং লিটারপ্রতি প্রায় ৬২ দশমিক ৫৮ টাকা।
উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত, ঝুঁকি-প্রিমিয়ামও কমছে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-সম্পৃক্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লে তেলের বাজারে বাড়তি ঝুঁকি-প্রিমিয়াম যোগ হয়েছিল। তবে সম্প্রতি পরিকল্পিত বড় হামলা স্থগিতের ইঙ্গিত আসায় বাজারে সেই ঝুঁকির দাম কমতে শুরু করেছে—ফলে দাম কমেছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জ্বালানি দামের ওঠানামা পরিবহন, পণ্যদামের চাপ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের প্রত্যাশায় প্রভাব ফেলে। বাজারে স্থিতি এলে সামগ্রিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
দ্রুত প্রশ্ন–উত্তর
ডব্লিউটিআই তেল কত কমেছে?
সোমবার সেপ্টেম্বর ডেলিভারির ডব্লিউটিআই ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমেছে।
ব্রেন্ট ক্রুডের লিটারপ্রতি দাম কত ধরা হয়েছে?
ডলারের হার ১২৩ টাকা ধরে হিসাব অনুযায়ী ব্রেন্টে লিটারপ্রতি প্রায় ৬৫ টাকা পড়েছে।
কেন দাম কমল?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় বাজারে ঝুঁকি-প্রিমিয়াম কমেছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









