পর্দায় গ্ল্যামার ছড়ালেও, ক্যামেরার বাইরে জয়া আহসানের জীবনটা ভিন্নভাবে চলে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়—খালি পায়ে বাগানে নেমে কোদাল হাতে নিজেই মাটির কাজ করছেন তিনি।
কোদাল আর গোবর সার—গাছের যত্নের দৃশ্য

ভিডিওতে জয়া আহসানকে দেখা যায় নিজের হাতে কোদাল দিয়ে বাগানের মাটি কাটতে। পাশে একজন সহযোগী থাকলেও কাজটা মূলত জিয়ার উপস্থিতিতেই এগোয়। একপর্যায়ে গোবর সার মিশিয়ে গাছের জন্য জমিও তৈরি করেন তিনি। ফলে ‘অভিনেত্রী’ পরিচয়ের পাশাপাশি আলোচনায় আসে ‘কৃষি ও প্রকৃতিপ্রেমী’ এক জয়ার আলাদা দিক।
শুধু কাজ নয়, গাছও দেখান অনুরাগীদের
কাজের ফাঁকে জয়া ঘুরে ঘুরে নিজের বাগানের বিভিন্ন গাছ দেখান। গাছগুলোর পরিচয় দিতে দিতে হাসিমুখে সময় কাটানোর ছবিও মেলে ভিডিওতে। অনেকে মনে করছেন, নিয়মিত প্রকৃতির কাছাকাছি থাকাটাই হয়তো তার প্রাণবন্ত থাকার বড় কারণ।
প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর
ভিডিও প্রকাশের পর মন্তব্যে ভেসে আসে প্রশংসা। কেউ লেখেন, “এ কারণেই জয়া এত প্রাণবন্ত।” আবার অনেকে বলেন, মাটির কাছাকাছি থাকা তারকাই সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। অন্যদিকে অনেকের ধারণা, নিয়মিত কায়িক পরিশ্রমই জয়ার তারুণ্য ও ফিট থাকার অন্যতম রহস্য।
আগেও নিজের পছন্দের কথা বলেছিলেন জয়া
এ বিষয়ে জয়া নতুন করে কিছু বলছেন না। এর আগেই ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানোর চেয়ে দৈনন্দিন কায়িক শ্রমেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই বাগানের কাজে নেমে কোদাল ধরা—তার অভ্যাসেরই এক স্বাভাবিক প্রতিফলন।
নতুন সিনেমার পরও বাগানের রুটিন
এদিকে জয়ার নতুন সিনেমা মুক্তির পর থেকেই কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় দারুণ সাড়া পাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবু কাজের ব্যস্ততা থাকলেও নিজের বাড়ির বাগান সামলানোই যেন তার নিয়ম। প্রবাসী পাঠকদের জন্যও বিষয়টি আলাদা করে ভাবায়—ব্যস্ত জীবনে ‘নিজের শরীর ও মন সচল’ রাখতে ছোট ছোট অভ্যাস কতটা শক্তি জোগায়, জয়ার ভিডিও সেটাই মনে করিয়ে দেয়।
প্রশ্নোত্তর
জয়া আহসানের ভিডিওতে কী দেখা গেছে?
খালি পায়ে বাগানে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কাটতে এবং গোবর সার মিশিয়ে গাছের জন্য জমি তৈরি করতে দেখা গেছে।
ভিডিও দেখে অনুরাগীরা কী বলছেন?
তার কায়িক শ্রম ও প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশংসা করছেন অনেকে।
জয়া আগে কীভাবে ফিট থাকার কথা বলেছেন?
জিমের চেয়ে দৈনন্দিন কায়িক শ্রমেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









