চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে দুই পক্ষই নিবিড়ভাবে কাজ করছে—এ কথাই জানালেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অর্থনীতি ও বাণিজ্যে গতি মানেই কর্মসংস্থান আর বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হওয়া।
অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা

বিআইআইএসএস–বিস মিলনায়তনে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবির বলেন, চীনের সঙ্গে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের এই সমন্বয় এগোলে তা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়ও বড় প্রভাব ফেলবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
আগামী ৫০ বছরে সম্পর্কে নতুন সুযোগ
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট আগামী ৫০ বছরে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনার ভিত্তি তৈরি করবে। লক্ষ্যটা শুধু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদে সহযোগিতাকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া।
প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে শিল্পায়ন ও রপ্তানি
এ সময় তিনি চীনের উন্নত প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন। বাংলাদেশে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে এটি সহায়ক হতে পারে—এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
বিএসআইএসএস–ফুদান যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মশালা
বিআইআইএসএস–বিস ও চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে ‘কম্পারেটিভ গভার্ন্যান্স ফোরাম ২০২৬’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে ফুদান ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট চেন ঝিমিনও বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর প্রসঙ্গ
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার পথ সুগম করবে। এর আগে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও বলেছেন, ঐ সফরের মাধ্যমে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।
প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন জরুরি
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক শক্ত হলে শিল্প, অবকাঠামো ও বাণিজ্যে গতি আসে। ফলে দেশের ভেতরে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়—যা প্রবাসীদেরও প্রত্যাশার জায়গা।
প্রশ্নোত্তর
১) পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কী নিয়ে জোর দিলেন?
অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সরবরাহব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার কথা জোর দিয়ে বলেন তিনি।
২) এই উদ্যোগের মেয়াদ কতটা দীর্ঘ ভাবা হচ্ছে?
আগামী ৫০ বছরে সম্পর্ক আরও নতুন সুযোগ তৈরি করবে—এমন ধারণা তুলে ধরা হয়েছে।
৩) প্রবাসীদের জন্য লাভ কী?
দেশে শিল্প ও কর্মসংস্থান বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স-নির্ভরতা কমে অর্থনীতির ভিত্তি শক্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: Prothomalo.com









